বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

সাবেক স্বামী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভূয়া ছবি প্রচারের অভিযোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 4:16 pm, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

এক প্রতারক পুলিশ সদস্যের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন এক নারী শিক্ষার্থী। বর্তমানে তার সাথে বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করার পরও ঐ পুলিশ সদস্য নারী শিক্ষার্থী সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তর সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী পরিবার।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাভারের আশুলিয়া থানার পানধোয়া গ্রামের

ইয়াসমিন আক্তার মিতুর সাথে প্রায় ছয় বছর আগে বিয়ে হয় সাভারের নগরকুন্ডা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মোঃ পারভেজ হোসেনের সাথে। কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার অপরাধে এবং স্বামী পারভেজের পরকীয়া হাতে-নাতে ধরে ফেলায় স্বামী শ্বশুর ও শাশুড়ি চরম নির্যাতন চালায় ইয়ামিনের উপর। নির্যাতন সইতে না পেরে একপর্যায়ে বাবার বাড়ি চলে আসেন ইয়াসমিন।

প্রায় এক বছর যাবত তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে বলেও জানাই ইয়াসমিনের পরিবার।

ভুক্তভোগী নারী জানান, সম্পর্ক ছিন্ন করার পরও পারভেজ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রদর্শন করে আসছে। ইয়াসমিনের সাধারণ ছবি দিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দিচ্ছে। এতে করে ইয়াসমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের লোক সমাজে মুখ দেখানো দায় হয়ে পড়েছে।

 

ইয়াসমিন জানান, বিবাহ সম্পর্ক বজায় থাকার সময় সাধারণ ছবি সে এআই দিয়ে তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করতে গেলে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে।

ইয়াসমিন আক্তার মিতু আরো জানান,সাবেক স্বামী মোঃ পারভেজ হোসেন, তার ভাই আনিছুর রহমান, তার মা পারভীন বেগম, বাবা মোঃ আব্বাস আলী  এবং কীরণ বেগম নামে আরো একজন বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকি দিয়ে আমাদের জীবন বিষিয়ে তুলেছে। পারভেজের ঔরসজাত সন্তান ৩ বছরের কন্যা প্রীতিকে নিয়ে আমার বাবার বাড়ি অবস্থান করলেও পারভেজ বা তার পরিবার কখনো এই শিশু সন্তানের খোঁজ রাখেন না। এমনকি এই সন্তানের খরচ পর্যন্ত তারা দেন না।

 

বর্তমানে এই আই দিয়ে ছবি তৈরি করে পারভেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করায় আমি ও আমার পরিবারের অন্যান্যরা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেও এর কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। এ ব্যাপারে আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

বর্তমানে রাজবাড়ী পুলিশ লাইনে কর্মরত কনস্টেবল মোঃ পারভেজ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে বিষয়গুলো তিনি অস্বীকার করে বলেন, ইয়াসমিন আক্তার মিতুর সাথে আমার বর্তমানে কোন সম্পর্ক নেই এবং আমি তার কোন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছি না। বরং তারাই আমার বিভিন্ন ভিডিও কন্টেন্ট ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

বিষয়টিকে মিথ্যা দাবি করেছেন ইয়াসমিন আক্তার মিতু ও তার পরিবার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com