
সুস্বাদু ও দেখতে সুন্দর হওয়ার কারণে চরাঞ্চলের কলার চাহিদা বেশি। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সর্বত্রই কলার আবাদ হয়ে থাকে। তবে দুর্গম চরাঞ্চলের খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী, মাইজবাড়ী, শুভগাছা, নিশ্চিন্তপুর, মনসুর নগর ও চরগিরিশ ইউনিয়নে কলার আবাদ বেশি হয়। এই উপজেলায় সাধারণত সবরি, সাগর ও কাচকলার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। ব্যাপক চাহিদা ও ভাল দাম পাওয়ায় কৃষকরা কলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ভাবে কলার আবাদ হয়ে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পারিবারিক ভাবে লোকজন বাড়ির আঙ্গিনায়, রাস্তার ধার পরিত্যাক্ত জায়গায় কলার আবাদ করছেন। ভাল দাম পাওয়ায় অনেকেই কলাগাছ রোপণ করছেন। চরগিরিশ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, আমরা কোনদিন বাজার থেকে কলা কিনে খাইনি। বাড়িতে সকল ধরনের কলা গাছ আছে। নিজেরা খাওয়ার পর প্রতিবছর ত্রিশ-চল্লিশ হাজার টাকার কলা বিক্রি করি। আমাদের জায়গা কম তাই বেশি করে চারা লাগাতে পারি না। তিনি আরও বলেন, কোন খরচ নাই শুধু একবার চারা রোপণ করলেই হয়। তিনি সকলকে বাড়িতে কলার চারা রোপণের পরামর্শ দেন। কলা ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ জানান, কাজিপুরের চরাঞ্চলের কলা থাকলে অন্য এলাকার কলা বিক্রি কম হয়।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম জানান, কাজিপুরের মাটি কলা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় কলার আবাদ বাড়ছে। #