
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্ৰামে পাগলা কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। ছোট বড় যে কাউকে সুযোগ পেলেই আক্রমণ করে বসছে কুকুর।
বিভিন্ন গ্ৰামে কোমলমতি শিশুসহ যুবক, বৃদ্ধ, এবং গবাদিপশু কুকুরের কামড়ে আহত হবার একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত মোট ১৫ জন মানুষ কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে আসেন। এবং জলাতঙ্ক (Rabies) ভ্যাকসিন গ্ৰহণ করেন। এরমধ্যে চরাঞ্চলের নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্ৰামে বিচ্ছিন্নভাবে ৪ জন শিশু ও ১ জন বৃদ্ধসহ ৭ জনকে কুকুরে কামড়ায়। এছাড়াও গান্ধাইল, সোনামুখী, চালিতাডাঙ্গা এবং পার্শ্ববর্তী রতনকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে আরো ৮ জন কুকুরের আক্রমণের শিকার হন। প্রতিদিন প্রায় ৮/১০ জন জলাতঙ্ক (Rabies) ভ্যাকসিন নিতে হাসপাতালে আসেন।
এর মধ্যে নাটুয়ারপাড়া গ্ৰামের রফিকুলের (৭০) অবস্থা আশঙ্কাজনক, তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়িয়েছে। উচ্চতর চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদরে প্রেরণ করা হয়েছে। বিলসুন্দর গ্ৰামের ৮ বছর বয়সী ওমর ফারুক এবং ১৩ বছরের মারুফ স্কুলে যাওয়ার পথে কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়। এছাড়াও নাটুয়ারপাড়া গ্ৰামের সুরাইয়া (৮) বাড়ির সামনে বিস্কিট খাওয়ার সময় আক্রান্ত হন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি কুকুরের আচরণে বেশ উগ্রতা লক্ষনীয়, সামন্যতেই মানুষ, গবাদিপশুর উপর আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রাসেল বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৮/১০ জন জলাতঙ্ক (Rabies) ভ্যাকসিন নিতে হাসপাতালে আসেন, এদের মধ্যে অনেকেই কুকুরের আক্রমণের শিকার হন, ভ্যাকসিনসহ যাবতীয় স্বাস্থ্য সেবা আমরা প্রদান করে থাকি, পাগলা কুকুর যদি থাকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোকে সমন্বয় করে বিধি মোতাবেক উদ্যোগ নিতে পারে। এ সময় তিনি জনসাধারণকে সতর্ক থাকার এবং কুকুরকে বিরক্ত না করার পরামর্শ দেন।