বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভিএআরের ভুলে আর্জেন্টিনার সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিল ফিফা ২৯ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক সংলাপের আগে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণের আশ্বাসে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার হাইব্রিডদের রুখতে এবার কঠোর অবস্থানে বিএনপি! হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির মুখোমুখি কর্মসূচি, এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি ইরাকে ইরান-সমর্থিত ‘সশস্ত্র’ গোষ্ঠীর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির হামলা হরমুজ প্রণালীতে ৩টি তেলবাহী জাহাজ থামানোর দাবি ইরানের এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণের আশ্বাসে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার আটার কলের শব্দে জনসেবার গল্প: ‘গরিবের মেম্বার’ বাবুল

ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদীর ভাঙনের সংবাদ সিএনআই সংবাদ প্রকাশের নরে চরে বসেছে প্রসাশন

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : 11:23 am, বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদীর ভাঙনের অনলাইন পত্রিকা সিএনআইএ সংবাদ প্রকাশের নরে চরে বসেছে প্রসাশন। সংবাদ প্রকাশের পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে নদীতীরে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করেছে। এতে নতুন করে আশার আলো দেখছেন নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটানো এলাকাবাসী।

উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দনপুর নাপিতপাড়া এলাকায় কয়েকদিন ধরে করতোয়া নদীর তীব্র ভাঙনে নদীতীরের একের পর এক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছিল। প্রতিদিন ভাঙন আরও কাছে চলে আসায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর এবং নদীতীরবর্তী শতাধিক পরিবার। দিন-রাত আতঙ্কে কাটছিল তাদের জীবন।

৭৫ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা বেগম বলেন, “প্রতিদিনই নদী একটু একটু করে এগিয়ে আসছিল। আর মাত্র দুই-তিন হাত জায়গা বাকি ছিল। এটা ভেঙে গেলে আর মাথা গোঁজার মতো জায়গা থাকত না। এখন বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে, তাই ভালো লাগছে।”

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা গোলাপ মিয়া বলেন, “রাতে ঘুমাতে পারতাম না। বাচ্চাদের নিয়ে খুব ভয় ছিল। সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এখন কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি। বালুর বস্তা ফেলা শুরু হয়েছে, তাই মনে সাহস এসেছে।”

১ নং বুলাকিপুর সাবেক চেয়াম্যান মাহফুজার রহমান লাভলু বলেন, আপাতত বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও স্থায়ীভাবে নদীশাসনের উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে আবারও একই সংকট তৈরি হবে। তিনি দ্রুত টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। নদীভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি বস্তা ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ জানান, কুলানন্দনপুর এলাকায় বর্তমানে যে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে, তা সম্পূর্ণ আপদকালীন ও জরুরি ব্যবস্থা। বর্ষা মৌসুমে তাৎক্ষণিক ভাঙন রোধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৩০৮টি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও ফেলা হবে। এছাড়া বর্ষা মৌসুম শেষে স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে সিসি ব্লক বা রিভেটমেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com