
বকশীপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানার দুই শিক্ষার্থী মোঃ আওলাদ হোসেন(৮) ও মোঃ মাহিম মিয়া(৮)কে বলৎকার করায় মোঃ সানজু বকসীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অভিযুক্ত সানজু বকসী (৫২) রামধন বকসীপাড়ার মৃত জয়নাল বকসীর ছেলে।
শনিবার (২৭ জুন) বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের রামধন বকসীপাড়া আঞ্চলিক সড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন শেষে বলাৎকারকারী মোঃ সাজু বকসীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলটি ঐ এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- বলাৎকারের শিকার শিক্ষার্থী মাহিম মিয়া, শিক্ষার্থীর পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম,বিএনপি নেতা মোঃ শামীম মিয়া ,এনজিও কর্মী মোঃ শাহাদাত হোসেন, সাংস্কৃতিক কর্মী মোঃ শাহাবুল ইসলাম , শিক্ষক রাসেল মিয়া, পিয়াল হাসান প্রমুখ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- মাদ্রাসার পাশেই বাড়ি হওয়ায় ঐ দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে দেড় মাস আগে সানজু বকসী তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একবার বলাৎকার করে এবং ২৪-২৫ দিন আগে হাফিজিয়া মাদ্রাসায় রাত ১ টায় যখন সবাই ঘুমিয়ে ছিল তখন মাহিম মিয়াকে আরেক বার তার শরীরের কাপড় খুলে তাকে বলাৎকার করে।সে চিল্লাচিল্লি করতে ধরলে প্রথমে তার মুখ চেপে ধরে এবং বিষয়টি কাউকে বললে তাকে মারার হুমকি প্রদান করে। এমনকি বিষয়টি তার পিতা-মাতাকে জানাতেও নিষেধ করে এবং বলে তোর পিতা মাতাকে জানালে তোর পিতা মাতাকে মেরে ফেলবো।
তাই মাহিন বিষয়টি ভয়ে কাউকে বলেনি।অপর ভিকটিম আওলাদ হোসেন জানান সেও একই ব্যাক্তি দ্বারা ১ মাস আগে বলাৎকারের শিকার হন।তাকেও একই ধরনের হুমকি ধামকি প্রদান করা হয়।মানসিক ভাবে চাপে থাকা মাহিন বাধ্য হয়ে তার মাকে বললে বিষয়টি মুহুর্তের মধ্যে এলকায় ছড়িয়ে পড়ে।উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মাদ্রাসার হুজুর নুর আলাম জানান তিনি ঘটনার সময় মাদ্রাসায় ছিলেন না।তিনি ছুটিতে ছিলেন।অন্য একজনকে দ্বায়িত্ব দিয়ে সে পারিবারিক কাজে ব্যাস্ত ছিলেন।ছুটি শেষে মাদ্রাসায় এসে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং সাথে সাথে সভাপতি সহ কমিটির সকলকে অবহিত করেন।পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে বসে মিমাংসা করার কথা থাকলেও সানজু বকসীর ও তার লোকজন আসেনি। আমিও ধরনের ঘটনার বিচার দাবি করছি।