মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্ক্যাম কম্পাউন্ডে পাচারের শিকার চার বাংলাদেশির মরদেহ ফিরবে বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সামরিক সমাধান নেই, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বার্তা শ্রীলংকার ওয়ানডে দলে ফিরলেন আভিস্কা সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী ঘোড়াঘাটে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ পালিত মাসকলাইয়ে স্বপ্ন বুনছেন যমুনা চরের কৃষকরা বগুড়ার শেরপুরে সমবায় দল নেতা পলাশের মায়ের মৃত্যু,বিভিন্ন মহলের শোক মালয়েশিয়া থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে ফিরেছেন প্রায় দেড় হাজার অভিবাসী

যে ৫ সত্য স্বামীকে জানান না স্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 8:10 pm, শুক্রবার, ৬ মে, ২০১৬

একে অপরের সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর অঙ্গীকার। সুখে-দুঃখে একে অন্যের ভরসা হয়ে ওঠা। আর সঙ্গে অবশ্যই পারস্পরিক বিশ্বাস আর সম্মান। এর নামই বিয়ে। যার সঙ্গে সারাজীবন কাটাবেন বলে স্থির করেছেন, তার কাছে গোপন কী-ই বা থাকতে পারে। তবে সত্যিই কি গোপন কিছু থাকে না? উত্তর দিয়েছেন বিশ্বের নামী মনোবিদরা। তাদের মতে, এমন পাঁচটি বিষয় রয়েছে যা নিয়ে স্ত্রীরা সাধারণত স্বামীর কাছে মুখ খোলেন না বা মুখ খোলা পছন্দ করেন না।

১. শারীরিক অসুস্থতা: এ ব্যাপারে কথা বলায় মহিলাদের চরম অনীহা থাকে। বিশেষত, তারা যদি বুঝতে পারেন, সমস্যা গুরুতর। তবুও স্বামীর কাছে গোপন করে রাখাই শ্রেয় বলে মনে করেন। বিশ্বের অন্যতম নামী মনোবিদ, ডা. ক্রিস্টেন কার্পেন্টার বলেন, ‘এর পেছনে একটা ভাবনাই কাজ করে। সংসারের চিন্তার সঙ্গে যদি আরও একটি বিষয় এসে জোটে তবে স্বামীর মানসিক সমস্যা বাড়বে। কিন্তু এটা করার অর্থ ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যা আহ্বান করা। শারীরিক ব্যাপার স্বামীকে বলবেন না তো কাকে বলবেন!’

২. সম্পর্কে সমস্যা: সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিবাহিত মহিলারা একলা মনোবিদদের সাহায্য নিচ্ছেন, থেরাপিও করাচ্ছেন এটা জানার জন্য বিবাহিত সম্পর্কে থাকবেন কিনা। থেরাপিস্ট ডা. জোডি ভোথ বলেন, ‘সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ ভয়। মহিলারা সাধারণত এটা ভাবেন স্বামী থেরাপির কথা জানলে তিনিও নিজের স্বাধীন মতামত দেবেন। ফলে একাই হোক। কিন্তু এতে বিশেষ লাভ হয় না। কারণ সম্পর্ক তৈরি হয় দু’ জনকে নিয়ে। সমস্যা যদি থেকেই থাকে, তবে তা মেটাতেও হবে দু’ জনকে। একা করা সম্ভব নয়।’

৩. যৌনতায় পছন্দ-অপছন্দ: বিয়ের সঙ্গে শারীরিক প্রত্যাশাও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু বেশিরভাগ মহিলা এ ব্যাপারে চুপ করে থাকা পছন্দ করেন। ডা. ক্রিস্টেন কার্পেন্টার বলেন, ‘তারা ভাবেন যদি স্বামীকে বললে তার খারাপ লাগে বা তিনি অসন্তুষ্ট হন। তাই অতৃপ্ত থাকা বা সঙ্গমের সময় কোনো বিষয় অপছন্দ হওয়া সত্ত্বেও তারা চুপ করে থাকেন। এ ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলাই ভালো। সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিবেশে যখন দু’ জনে একা থাকবেন, তখন এ ব্যাপার উত্থাপন করুন। প্রথমেই বলুন আপনার কোন বিষয়টা ভালো লাগে। তার পর খারাপ লাগার প্রসঙ্গে আসুন।’

৪. ব্যক্তিগত সাফল্য: চাকরিতে পদোন্নতি বা বড়সড় স্যালারি হাইক। আনন্দের বিষয় সন্দেহ নেই। কিন্তু স্ত্রীরা সাধারণত এ ব্যাপারে চুপ থাকেন। এর প্রধান কারণ ইগো। এটা দু’ পক্ষেরই থাকতে পারে। ডা. কার্পেন্টার বলেন, ‘বহু পুরুষ চাকরি করা সফল মহিলাদের স্ত্রী হিসাবে পেতে চান। কিন্তু তারা প্রথমে একটা জিনিস দেখেন, স্ত্রী তার থেকে বেশি সফল কিনা। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক তাও বলছি, এটা পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। বিশেষত উন্নয়নশীল দেশে। তাই সমস্যা এড়াতে চুপ করেই থাকেন মহিলারা।’

৫. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলে তা নিয়ে মহিলারা সাধারণত কথা বলা পছন্দ করেন না। থেরাপিস্ট ডা. টোমানিকা উইদারস্পুন বলছেন, ‘এ পেছনে মহিলাদের নিরাপত্তাহীনতা কাজ করে। যদি কোনো কারণে সম্পর্ক না টেঁকে, তাহলে ব্যাঙ্কে জমানো টাকা কাজে লাগবে। তবে এর সঙ্গে একটা সেন্স অফ বিট্রেয়াল-ও কাজ করে। যদি কোনও কারণে স্বামী আপনার এই গোপন অ্যাকাউন্টের বিষয়ে জানতে পারেন, তবে তার বিশ্বাসে আঘাত লাগতে পারে। তিনি এটাও ভাবতে পারেন, আরও বড় কোনো বিষয়ও হয়তো আপনি লুকিয়ে গিয়েছেন। এ বিষয়গুলি তৈরি হওয়ার আগেই কথা বলুন। এতে ক্ষতির চেয়ে লাভই বেশি হয়।’– সংবাদমাধ্যম

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com