শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টি-টোয়েন্টিতে গেইলের বিশ্ব রেকর্ড ভাঙলেন প্রিটোরিয়াস কিয়েভে গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রাশিয়ার হামলা জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ভোটে নির্বাচিত সরকারকেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনে অনিয়ম, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ কমবে : আইনমন্ত্রী কাজিপুরে আইটি টেকনিশিয়ানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘিরে রমরমা বাণিজ্য! কাজীপুরে যমুনার চরে দোল খাচ্ছে শুভ্র কাশবনের ঢেউ স্কুল ঘেঁষে ময়লার ভাগাড়ঃ দুর্গন্ধ-মশার উপদ্রবে ছয় মাস বন্ধ ভবনে পাঠদান কাজীপুরে কাঁচা রাস্তায় হাজারো মানুষের ভোগান্তি 

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘিরে রমরমা বাণিজ্য!

মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, পাইকগাছা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : 6:16 pm, শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

খুলনার পাইকগাছায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘিরে সেবা প্রার্থীদের সাথে চলছে প্রতারণা। হাসপাতাল ঘিরে হচ্ছে রমরমা বাণিজ্য। সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ষ্টোরে ওষুধের গড়মিল, ভুয়া বিল উত্তোলনসহ উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিক ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে টাকা তুলে খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের তৃতীয় শ্রেণীর একজন কর্মচারীকে দেন হাসপাতালের প্রধান সহকারী দেবব্রত সরকার। সম্প্রতি তার পদোন্নতি হলেও রয়ে গেছেন নিজ কর্মস্থলে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের বেনামে আছে ক্লিনিক ডায়াগনষ্টিক সেন্টার। এমনকি অফিস প্রধানের নিজ এলাকা পাইকগাছায়। রোগীদের জিম্মি করে ব্যবসা, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং ব্যক্তিগত প্রাকটিসের কারনে সুবিধা ভোগীরা প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তবে এসকল অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে জোর দৌঁড়ঝাপ করেন প্রধান সহকারী দেবব্রত সরকার। খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীকে প্রতি মাসে অর্থ দেন পাঠিয়ে দেন দেবব্রত সরকার। বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং হাসপাতালের বিভিন্ন খাত থেকে এসকল অবৈধ অর্থ আসে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৯ সালের দিকে অফিস সহকারী হিসেবে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন দেবব্রত সরকার। অফিস সহকারী পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় স্টোর কিপার থাকলেও দেবব্রত সরকার দীর্ঘদিন স্টোর কিপারের দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মকর্তাদের করা অনিয়ম দুর্নীতিতে তিনি সহযোগিতা করেন। এর বিনিময়ে নেন মোটা অংকের ভাগ। ক্যাশিয়ার পদে পদোন্নতি এবং সর্বশেষ প্রধান সহকারী পদে পদোন্নতি পেলেও একই কর্মস্থলে রয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার কারনে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র বলছে, নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক, স্টোর কিপার কিংবা ক্যাশিয়ার পদে নতুন কর্মকর্তা—কর্মচারী পদায়িত হলেও সব ক্ষমতা থাকে দেবব্রত সরকারের কাছে। চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর প্রধান সহকারী পদে পদোন্নতির আদেশ পাওয়ার পর একই দিনে পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন দেবব্রত সরকার। পদোন্নতির পরও কর্মস্থল পরিবর্তন হলো না তার। সূত্র আরো বলছে, প্রতিবছর পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিপুল পরিমান অর্থের ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয় করা হয়। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে থেকে মোটা অংকের কমিশন আদায় করেন দেবব্রত সরকার। কাগজে—কলমে যে পরিমাণ ওষুধ ক্রয় করা হয় কিন্তু বাস্তবে হাসপাতালের স্টোরে সেই পরিমাণ ওষুধ গ্রহণ করা হয় না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভয় দেখিয়ে একটি আউটসোর্সিং এর বিলে স্বাক্ষর করিয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন দেবব্রত সরকার। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দেবব্রত সরকারের বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য তিনি করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com