শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় আপন ফুফা ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দিতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি ‎প্রযুক্তি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে কীটনাশক ট্যাবলেট সেবনে কৃষকের মৃত্যু যমুনার চরাঞ্চলে বারোমাসি মরিচ চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি ঘোড়াঘাটে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে তিনজন গ্রেফতার সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই পদে নিয়োগ সম্পন্ন তীব্র তাপদাহে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় স্বস্তিতে নেই পাইকগাছাবাসী সিরাজগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন পটল চাষে স্বচ্ছলতা ফিরছে কৃষকের নবাবগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার বাল্যবিয়ে রুখতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে সচেতনতামূলক মতবিনিময়

সিরাজগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন পটল চাষে স্বচ্ছলতা ফিরছে কৃষকের

টি এম কামাল
  • আপডেট সময় : 6:01 pm, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
 সিরাজগঞ্জে এবার গ্রীষ্মকালীন পটল ও বিভিন্ন সবজি চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। পটলের বাজার ভালো থাকায় কৃষকেরা এখন খুশি। ইতোমধ্যেই এ চাষে অনেক কৃষকের স্বচ্ছলতা ফিরছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় পটলসহ বিভিন্ন সবজির চাষাবাদও বাড়ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গ্রীষ্মকালীন পটলসহ অন্যান্য সবজি চাষে ৮ হাজার ৫শ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে চাষ করেছেন কৃষকেরা। সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে। এছাড়া যমুনা নদীর চরাঞ্চলেও এ চাষাবাদ করা হয়েছে।
এ গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে পটল, বেগুন, ঢেঁড়স, পেঁপে, কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, ডাঁটা, সিম ও মুলা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও প্রায় ৩ মাস আগে এসব দেশি সবজি চাষ করেছেন কৃষকেরা। তবে হাইব্রিড সবজি সারা বছরই চাষ হয়ে থাকে।
পটলসহ এসব সবজির হাট-বাজারে দামও ভালো থাকায় কৃষকেরা খুশি। স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষাবাদে কৃষকেরা আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তবে যমুনা নদীর তীরবর্তী ৫টি উপজেলার চরাঞ্চলে পটল ও বিভিন্ন সবজি বেশি চাষ হয়েছে। এছাড়া বাড়ির আঙিনা ও পুকুরপাড়েও এ চাষ করা হয়ে থাকে। এ চাষে গৃহবধূরাই বেশি রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকেন।
এদিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী নতুনপাড়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক হাসান (৪৫) প্রায় ২৪ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন পটল চাষ করেছেন। এ চাষাবাদে তার ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭ হাজার টাকা। প্রায় দেড় মাস ধরে এ জমি থেকে পটল উৎপাদন শুরু হয়েছে এবং প্রতি কেজি পটল খুচরা বাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। ইতোমধ্যেই তিনি প্রায় ২৫ হাজার টাকার পটল বিক্রি করেছেন এবং আরও ১ থেকে ২ মাস পটল উৎপাদন হবে। খরচের তুলনায় এ জমি থেকে কয়েক গুণ লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন। এ চাষাবাদের লাভ দেখে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা পটল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে অনেক কৃষকের স্বচ্ছলতা ফিরছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক এ. কে. এম. মঞ্জুরে মওলা বলেন, আগাম গ্রীষ্মকালীন পটলসহ বিভিন্ন সবজি চাষে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। বিশেষ করে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে থেকেও এ পরামর্শ দিয়েছেন। এবার এ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে এবং বাজার ভালো থাকায় কৃষকেরা খুশি বলে তিনি উল্লেখ করেন। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com