বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মব সৃষ্টি করে লুট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওর প্রতিবাদ মির্জা ফখরুল সম্পর্কে যে কারণে কোনো মন্তব্য করতে চান না অলি আহমদ হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু পশ্চিম তীর নিয়ে ইসরাইলের ‘বিপর্যয়কর’ নীতির সমালোচনায় সাবেক জার্মান রাষ্ট্রদূত ইরানে মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা ৩০টির বেশি দেশের ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ ৫ জনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : মির্জা ফখরুলের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বিএনপি উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে মেধাবী তরুণ নাজমুলের পাশে প্রধানমন্ত্রী দল ও সরকারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি: নতুন অধ্যায়ে মির্জা ফখরুল তিন পার্বত্য এলাকায় খাদ্য গুদাম নির্মাণ করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা

আমাদের রাজনীতি ও প্রত্যাশা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 3:26 pm, সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯

তোফায়েল হোসেন তোফাসানি :
সময়টা এখন ২০১৯ সাল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। ২০১৯ সালে এসে দেশকে এক নতুন বাংলাদেশ হিসেবে দেখছি আমরা সকলে। শুধু দেশই নয় পরিবর্তন হয়েছে মানুষের রাজনৈতিক মনোভাবও। 
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশ, অর্থনীতি ও সমাজের পরিবর্তন ঘটে। অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন একটি দেশের জন্য দরকার। কিন্তু রাজনৈতিক দলেরও গুনগত মান বজায় রাখতে হবে। দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য বক্তব্য দিতে হবে। দলের কর্মীদের কাছে সময়োপযোগী নির্দেশ দিতে হবে। দলের সদস্য সংখ্যার তালিকা বড় না করে প্রকৃত দেশ প্রেমিকদের রাজনীতিতে আনতে হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের চতুর্থবার ক্ষমতায় আসা দেশের জন্য কল্যাণকর মনে করেন অনেকে। কারন, বিগত দিনের রাজনৈতিক শিক্ষা তাই বলে। স্বাধীনতার পর থেকে আমরা কি দেখেছি? যখন কোন দল ক্ষমতায় আসে, তখন আগের সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বন্ধ করে দেয়া হয়। রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, অবকাঠামোগত উন্নয়ন সব কিছুই পরে থাকে রাজনৈতিক আক্রোশে। কষ্ট হয় আমাদের মত সাধারণ জনগণের। দেশ থাকে পিছিয়ে।
এক সময়ের কারফিউ, হরতাল, ভয়তাল, ভাংচুর, আগুন সন্ত্রাস, খুন, গুম আমাদেরকে ভীত জাতিতে পরিণত করেছিল। হরতাল, আগুন সন্ত্রাস আর লাশের রাজনীতি আমাদের অনেক কাঁদিয়েছে। গণতন্ত্র বিকাশের সম্ভাবনাকে প্রতিদিন অন্ধকারে ছুড়ে ফেলে দেয়া হত। এ দেশের বিগত দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে যত দূর তাকানো যাবে, এ বিষয়টি ততই স্পষ্ট হবে। রাজনীতিকদের হাতে জনগণ সবচেয়ে বেশি প্রতারিত আর নির্যাতিত হয়েছেন। রাজনীতি আর নির্বাচনের হাতিয়ার হিসেবে ‘জনগণ’ শব্দটির বহুল ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু জনগণের চাওয়া-পাওয়াকে রাজনীতিবিদরা খুব কমই মূল্য দিয়েছেন। দেশ ও জনগণের কথা বলে ফায়দা লুটেছেন এক শ্রেণীর রাজনীতিবিদরা। সুবিধার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে হত্যা করা হয়েছে কতজনকে। 
এসব হরতাল, আগুন সন্ত্রাস, লাশের রাজনীতির কথা আমরা ভুলতে চলেছি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আপন গতিতে। এখন আর হরতাল আর ভয়তালে লাশ হয়ে বাড়ি ফেরার আতংকে কেউ নেই। গণতন্ত্রের চর্চ্চার বিকাশ ঘটছে সকলের মাঝে। দেশের প্রকৃত ইতিহাস, ভাল-মন্দ বুঝতে শিখেছি আমরা। 
তবে, এখনও রাজনীতিবিদদের কথায় বিভ্রান্ত হচ্ছেন দেশের মানুষ। বিপথগামী অপ-রাজনীতির প্রেতাত্মা আমাদের উপর এখনও ভর করে আছে। 
দেশের দৃশ্যমান উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। এ সাফল্য আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, জনকল্যাণমূলক প্রশাসন আর গণতন্ত্রের সুপ্রতিষ্ঠার ঘোষনা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। কলুষমুক্ত দেশপ্রেমিক রাজনীতিকদের নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে বহুদূর। 
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনকালে অনেক ইতিবাচক দিক যুক্ত হয়েছে। প্রশাসনিক অদক্ষতা আর দুর্নীতিকে লুকোনো যাচ্ছে না এখন। মানুষের যাপিত জীবনে স্বস্থি ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে এ দেশের আশাবাদী মানুষ প্রত্যাশার দীপ জ্বালিয়ে রাখতে চায়। আওয়ামী লীগ সঠিক দিকনির্দেশনায় এগিয়ে যাবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাস্নাত জাতি। অনান্য রাজনৈতিক দলের কাছেও মানুষ চায় শান্তি ও উন্নয়নের রাজনীতি। বিগত দিন থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়ে আরো এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা সকলের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com