
আমি মো: জামাল সর্দার, পিতা মৃত- জব্বার সর্দার, ঠিকানা: ১০৫/১, খোরশেদ আলী সর্দার রোড, জুরাইন, থানা: শ্যামপুর, ঢাকা। এই মর্মে প্রতিবাদ করছি যে, গত ৭ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে আমি ফরিদপুরের সালিথায় বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাবতলী থেকে গোল্ডেন লাইন গাড়িতে উঠে রওনা হই। পথিমধ্যে মানিকগঞ্জের পাথুরিয়া ঘাটে গাড়ি ফেরীতে উঠার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় একজন অজ্ঞাত পরিচয় লোক তার সহযোগীদের নিয়ে আমার কাছে এসে মব সৃষ্টি করে এবং আমাকে অজ্ঞান পার্টির সদস্য বলে মিথ্যে অপবাদ দেয়। এ সময় কোন কারণ ছাড়া এবং কোন অপরাধ প্রমাণিত না হলেও ওই লোকজন আমাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করে। তারা আমার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা মূল্যের একটি রেডমি মোবাইল ফোন ও নগদ ১৯ হাজার ৭০০ টাকা মব সৃষ্টি করে নিয়ে নেয়। এরপর তারা আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে। এসময় আমার নাক দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এবং আমার শারীরিক অবস্থা ও সৃষ্ট ঘটনা বিবেচনা করে পুলিশ আমাকে সহযোগীতা করে আমার চিকিৎসা করায় এবং আমাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। গাড়িতে সৃষ্ট ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ওই মব সৃষ্টিকারী। ঘটনার পর গত ১১ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে এমডি হাসান মাহমুদ (MD. Hasan Mahmud) নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ওই গাড়িতে ঘটে যাওয়া ভিডিও চিত্র প্রকাশ করা হয়। ভিডিও চিত্রে আমার পার্শ্ববর্তী যাত্রী আমাকে নির্দোষ বলার পরেও তারা আমার উপর মব সৃষ্টি করেছে বলে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এই ভিডিও প্রচারের কারণে আমি ও আমার পরিবার সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি। লজ্জায় আমি ও আমার পরিবারের কেউ মুখ দেখাতে পারছিনা।
আমি মনে করি যে মব সৃষ্টিকারী ওই চক্রটি এমনভাবে নিরীহ লোকজনকে মানুষের সামনে মব করে তাদের টাকা পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। এভাবে আমার ভিডিও প্রকাশ করে আইসিটি আইনেও তারা অপরাধ করেছেন।
আমি এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।