মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্ত্রী-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমার শক্তি- সামিউল ইসলাম খান সজীব চেয়ারম্যান প্রার্থী, আমতা ইউপি ভারতের টানা ষষ্ঠ সিরিজ জয়ের মিশনে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ নিউজিল্যান্ডের কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে : রিজভী সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ভাগ্যে এবার কি আছে! সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি মিষ্টির শূন্য আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সাক্ষাৎ

সহকর্মীকে ধর্ষণ করে ছবি ধারণ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কারাগারে

সহকর্মীকে ধর্ষণ করে ছবি ধারণ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কারাগারে নাটোরে সহকর্মীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ছবি ধারণ করার অভিযোগে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেন ওরফে রয়েলকে (৩৩) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাকিব হোসেন জেলার সিংড়া উপজেলার মাদারীপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে এবং সিংড়া উপজেলার তাজপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক। নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, সিংড়া থানার ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি রাকিব হোসেন ওরফে রয়েল মঙ্গলবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। ভুক্তভোগী নারীও এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী নারীর পক্ষে সরকারি কৌঁসুলি আনিছুর রহমান জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামি রাকিব হোসেনের জামিনের আবেদন নাকচ করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ওই নারী সহকর্মীকে তার নির্জন কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে আটকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ছবি নিজেই ভিডিও করে রাখেন। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নারী কর্মকর্তাকে তিনি অনেকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি তার ধারণ করা ভিডিওটি কয়েকজনকে দেখার জন্য মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে দেন। তখন ভুক্তভোগী ওই নারী কর্মকর্তা বাধ্য হয়ে সিংড়া থানায় ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা মামলা তদন্তের সময় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেনের হেফাজত থেকে পর্নোছবিসহ মোবাইল ফোন জব্দ করেন এবং সিআইডি কার্যালয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠান। ফরেনসিক পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে পর্নোছবি পাওয়া গেছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহিম গত ২৮ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রটি আদালত আমলে নেন। মঙ্গলবার আসামি পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেন বিচারিক ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আনিছুর রহমান পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : 8:11 pm, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

নাটোরে সহকর্মীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ছবি ধারণ করার অভিযোগে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেন ওরফে রয়েলকে (৩৩) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রাকিব হোসেন জেলার সিংড়া উপজেলার মাদারীপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে এবং সিংড়া উপজেলার তাজপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক।

নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, সিংড়া থানার ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি রাকিব হোসেন ওরফে রয়েল মঙ্গলবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। ভুক্তভোগী নারীও এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী নারীর পক্ষে সরকারি কৌঁসুলি আনিছুর রহমান জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামি রাকিব হোসেনের জামিনের আবেদন নাকচ করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ওই নারী সহকর্মীকে তার নির্জন কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে আটকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ছবি নিজেই ভিডিও করে রাখেন। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নারী কর্মকর্তাকে তিনি অনেকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি তার ধারণ করা ভিডিওটি কয়েকজনকে দেখার জন্য মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে দেন। তখন ভুক্তভোগী ওই নারী কর্মকর্তা বাধ্য হয়ে সিংড়া থানায় ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা মামলা তদন্তের সময় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেনের হেফাজত থেকে পর্নোছবিসহ মোবাইল ফোন জব্দ করেন এবং সিআইডি কার্যালয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠান। ফরেনসিক পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে পর্নোছবি পাওয়া গেছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহিম গত ২৮ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রটি আদালত আমলে নেন। মঙ্গলবার আসামি পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেন বিচারিক ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আনিছুর রহমান পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাকিব হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com