
গত এশিয়া ও টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সময়টা খুব ভাল যাচ্ছিল না সাকিব আল হাসানের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষদিকে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) আবার ছন্দপতন সাকিবের। বোলার সাকিবকে পাওয়া গেলেও ব্যটসম্যান সাকিবকে সেভাবে দেখা যায়নি আইপিএল সিজন নাইনে। তাই তাকে একাদশে রাখা নিয়ে যেমন বারবার ভাবছেন কোচ-অধিনায়ক। তেমনি ভক্তরাও বিভক্ত হয়ে তর্কে নেমে পড়ছেন। কেউ তাকে একাদশে চাইছেন আবার কেউ তাকে না খেলানোর পরামর্শ দেন।
রোববার কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে মাঠে নামে কলাকাতা নাইট রাইডার্স। এদিন একাদশে ছিলেন সাকিব।তবে রোববার ব্যঅট হাতে
কার ৪৮ বলে ৬৬ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে কলকাতা দাড় করায় ১৫৮ রান। তবে এই ম্যাচের আগে তাকে একাদশে দেখে ভিন্ন মত প্রকাশ করে ভারতীয়রা। আর তার একাংশ তুলে ধরে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক পোর্টাল ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
ক্রিকইনফোতে ম্যাচ সামারির একটি অংশে লিখা হয় ‘সাকিবকে নিয়ে বিভিন্ন মতামত:’
এরপর শুরুতেই গারেথ নামের একজন বলেন, ‘লিনকে বাদ দেওয়া একটি বড় ধাক্কা। আমি সাকিবকে ভালোবাসি কিন্তু লিন অন্যকিছু। পাঠান কিছু ওভার করে দিতে।’
মুস্তফা মউদি নামে একজন লিখেন, ‘দেখে খুশি হলাম কেকআর সুনিল নারিনের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দিয়েছে। দলগতভাবে তারা খেলছে।’
অভিষেক নামে একজন লিখেন, ‘সাকিবের বল এই আইপিএলে কার্যকরী নয়, লিন অনেক ভালো ব্যাটসম্যান, টপ অর্ডারে কার্যকরী ব্যাটসম্যান মিডেল অর্ডারে রাসেলের মত। সাকিবের পরিবর্তে তাকে একটা সুযোগ দেওয়া উচিৎ কেকেআরের।’
এই ভারতীয়দের বিপক্ষে অবস্থান নেন সুহেল নামে আরেক ভারতীয়। তিনি লিখেন, ‘লিনের একপাক্ষিক খেলোয়াড়। কিন্তু নানা বৈচিত্র্য দিতে পারে।’
তবে রোববারের ম্যাচের পারফরমেন্স দিয়ে সব বির্তকের অবসান ঘটান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এর আগের নয় ম্যাচে পাঁচ ম্যাচে একাদশে ছিলেন তিনি। আর তাতে তিন ইনিংস ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে করেন ২০ রান। আর বল হাতে উইকেট নিয়েছেন মাত্র দুটি।তবে ইকোনমি ছিল ছয় এর নিচে।