সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্ত্রী-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমার শক্তি- সামিউল ইসলাম খান সজীব চেয়ারম্যান প্রার্থী, আমতা ইউপি ভারতের টানা ষষ্ঠ সিরিজ জয়ের মিশনে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ নিউজিল্যান্ডের কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে : রিজভী সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ভাগ্যে এবার কি আছে! সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি মিষ্টির শূন্য আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সাক্ষাৎ

নেইমারের কথায় হতাশ বার্সেলোনা সমর্থকরা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : 2:32 pm, রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

ক্যারিয়ারের অন্তিম লগ্নে এসে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে গেছেন নেইমার জুনিয়র। প্রায় এক যুগ আগে ইউরোপে পা জমানোর পর থেকেই ফুটবলবিশ্ব তাকে চিনেছে অন্য এক উচ্চতায়।
আর নেইমারের সেরা সময় কোন ক্লাবে কেটেছে—এই প্রশ্ন করা হলে এক বাক্যে বেশিরভাগ মানুষের উত্তর হবে ‘অবশ্যই বার্সেলোনায়!’ তবে মানুষের এই ধারণার সঙ্গে একদমই মেলেনি খোদ এই ব্রাজিলিয়ান তারকার নিজস্ব মূল্যায়ন।

২০১৩ সালের জুনে রেকর্ড ও নানামুখী আলোচনায় সান্তোস ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন নেইমার। অভিষেকের প্রথম মৌসুমে স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের আলোয় সেভাবে দ্যুতি ছড়াতে পারেননি।

তবে ঠিক পরের মৌসুমেই অর্থাৎ ২০১৪-১৫ মৌসুমে লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর আক্রমণভাগ ‘এমএসএন’।
এই ত্রয়ীর আগুনে ফর্ম আর লুইস এনরিকের সুনিপুণ কোচিংয়ে ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের স্বাদ পায় বার্সেলোনা, যা কাতালান ক্লাবটির ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত হিসেবে খোদাই হয়ে আছে।

বার্সেলোনায় কাটানো চার বছরের বর্ণিল অধ্যায়ে দুটি লা লিগা, তিনটি কোপা দেল রে এবং একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছেন নেইমার। বিশেষ করে ২০১৫ সালে ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে জুভেন্টাসের বিপক্ষে ফাইনালে দলের তৃতীয় ও জয়সূচক গোলটি এসেছিল তারিয়েই পা থেকেই। সব মিলিয়ে বার্সার জার্সিতে ১৮৬ ম্যাচ খেলে ১০৫ গোল করার পর ২০১৭ সালে আচমকাই সেই অধ্যায়ের ইতি টানেন তিনি।

এরপর রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) পাড়ি জমান নেইমার। প্যারিসেও ট্রফির দিক থেকে দারুণ সফল সময় কাটিয়েছেন তিনি। ক্লাবটির হয়ে ১৭৩ ম্যাচ খেলে করেছেন ১১৮ গোল। ঝুলিতে পুরেছেন পাঁচটি লিগ ওয়ান শিরোপা, তিনটি ফরাসি কাপ, দুটি লিগ কাপ এবং তিনটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। যদিও পিএসজির দীর্ঘদিনের অধরা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বপ্ন তিনি পূরণ করতে পারেননি; ২০২০ সালের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাদের।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্যারিস অধ্যায় চুকিয়ে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল হিলালে নাম লেখান এই ফরোয়ার্ড।

ফুটবলপ্রেমীদের চোখে নেইমারের সোনালী সময়টা বার্সায় কাটলেও, শিরোপার খতিয়ান কিংবা সাফল্যকে ছাপিয়ে নিজের ফুটবলার হিসেবে বিকশিত হওয়ার সময়টিকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন তিনি। আর এখানেই সবাইকে চমকে দিয়ে নেইমার পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তার ক্যারিয়ারের সেরা সময়টি বার্সেলোনায় নয়, বরং কেটেছে পিএসজিতেই!

নিজের এই ব্যাখ্যার পেছনের কারণ তুলে ধরে নেইমার বলেন, ‘আমি জানি লোকেরা এমএসএনের সঙ্গে বার্সেলোনায় কাটানো সময়টাকেই আমার সেরা সময় বলে মনে রাখবে। কিন্তু একজন ফুটবলার হিসেবে আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়নে, প্যারিস সেন্ট-জার্মেইতে কাটানো সময়টিই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সেরা। ওই বছরগুলোতে আমি নিজেকে আরও বেশি শক্তিশালী, গতিময় এবং মাঠে আগের চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান একজন খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছিলাম।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com