
ঢাকার সাভারে ল্যাবজোন হাসপাতাল এবং ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহানা ফেরদৌসীর বিরুদ্ধে আনা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।
জানাগেছে, রোগীর জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকরা যখন সময়োচিত ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন, তখন সেই সেবামূলক পদক্ষেপকে বিকৃত করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল হাসপাতালের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে ধরেন্ডা এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০) গুরুতর শারীরিক জটিলতা নিয়ে ল্যাবজোন হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো ধরনের বিলম্ব না করে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ও খরচে রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণের ব্যবস্থা করে। একই সাথে ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে রোগীর বিস্তারিত ‘মেডিকেল হিস্ট্রি’ হস্তান্তর করা হয়, যার ফলে ঢাকা মেডিকেলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয় এবং পরবর্তীতে মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।
পরবর্তীতে রোকসানা বেগম এতদিন পরে এসে কেন সংবাদ সম্মেলন করে মূল ঘটনাকে বিভ্রান্ত করছে এ নিয়ে খোদ রোকসানার গ্রামেই
কথা উঠেছে। ওই গ্রাম থেকেই বিভিন্ন জন এই বিষয়টির মন্তব্য করে বলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ফাঁসিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করাই এই সংবাদ সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল বলে ধারণা।