সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আত্মা ভেঙে যায়, যখন দেখি সন্তানরা এমন আচরণ করে…’ যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী আশাব্যঞ্জক অর্থনৈতিক কর্মসূচি তুলে ধরবেন পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত নৌবাহিনী গড়ার অঙ্গীকার উত্তর কোরিয়ার ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের সম্মানী ভাতা দিচ্ছে সরকার সুন্দরগঞ্জে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ, ৮ জনের বিরুদ্ধে এজাহার ঘোড়াঘাট- হিলি মহাসড়কে কাজের ধীরগতিতে, ভোগান্তি জনসাধারণ কাজীপুরে চরগিরিশে আলোচনার শীর্ষে চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল ইসলাম লংমার্চ রাজপথের ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী ‘মেয়াদোত্তীর্ণ মেয়র’ বলায় জামায়াত আমিরকে কড়া জবাব দিলেন শাহাদাত সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়া হবে : ধর্মমন্ত্রী

ঘোড়াঘাট- হিলি মহাসড়কে কাজের ধীরগতিতে, ভোগান্তি জনসাধারণ

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : 11:16 am, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট -ডুগডুগি- হিলি স্থলবন্দরের ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ জাতীয় মহাসড়ক সাথে ঢাকা ও অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এ মহা সড়ক।
(এন-৫২১) প্রশস্তকরণ ও মানোন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতি ও নিম্নমানের কাজে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ২০২১ সালে শুরু হওয়া তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় ইতোমধ্যে কয়েক দফায় মেয়াদের সাথে বাড়াতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের বাজেটও।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পের মূল অনুমোদিত বাজেট ছিল ৪৬৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা। তবে কাজের ধীরগতি এবং কারিগরি নকশা পরিবর্তনের অজুহাতে প্রথম সংশোধিত প্রস্তাবনায় বাজেট বাড়িয়ে ৫৮৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা করার অনুমোদন চাওয়া হয়েছে
ফলে এক লাফে প্রকল্প ব্যয় বাড়ছে প্রায় ১২৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের নির্ধারিত মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর এখন নতুন করে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।
পুরো ২৬ কিলোমিটার সড়কটি তিনটি পৃথক প্যাকেজে বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘জামিল ইকবাল গ্রুপ’। তবে দীর্ঘ চার বছরে তারা কেবল ঘোড়াঘাটের ওসমানপুর থেকে ডুগডুগি পর্যন্ত মাত্র ৪০ শতাংশ কাজ শেষ করতে পেরেছে। বাকি ডুগডুগি থেকে হিলি অংশের মূল কাজ এখনো শুরুই হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও দ্রুত টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সরেজমিন দেখা যায়, খোঁড়াখুঁড়ির কারণে চার দিকে ধুলাবালি উড়ছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কাদা হয়ে যাতায়াতের অযোগ্য পড়ে। কাজের গুণগত মান নিয়েও বিস্তর অভিযোগ স্থানীয়দের। বলহার বাজারের ব্যবসায়ী সাহারুল ইসলাম ও সুরা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা পারভেজ হাসান অভিযোগ করেন, কাজের কোনো সঠিক পদ্ধতি নেই। বিটুমিন ও কার্পেটিং অত্যন্ত নিম্নমানের; ভারী যানবাহন চললে তিন মাসও টিকবে না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইনাম বলেন, জনগণ খারাপ বললে কী হবে, সওজ কর্মকর্তারা তো খুশি আছেন। বিষয়টি নিয়ে দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম দায় এড়িয়ে ‘বিষয়টি দেখছি’ বলে ফোন কেটে দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com