রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‎রাজবাড়ীতে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে নির্যাতন, হাসপাতালে জীবন সংকটাপন্ন কাজিপুরে মেঘাই উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জনগণের সেবায় ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ রাজবাড়ীতে ধর্ম অবমাননা ও মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত দিয়েই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি কালুখালী মৃগী ইউনিয়নের শিকজান গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালো এলাকাবাসী, হাতে-নাতে আটক ৩ জন পুষ্টিগুণে ভরপুর দেশি ফল ডেউয়া অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্র হাইতিকে বিদায় করে ব্রাজিলের প্রথম জয় দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে

কাজিপুরে ভাঙন আতঙ্কে যমুনা তীরবাসী

টি এম কামাল
  • আপডেট সময় : 6:07 pm, সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর অরক্ষিত অঞ্চলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীতে পানি বাড়ার সঙ্গে ভাঙনও বেড়েছে। স্থানীয়রা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে যমুনায় পানি বাড়ছে।
এর সঙ্গে কয়েকদিনে কাজিপুরে ভাঙনে বহু বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী মানুষের। স্থানীয়রা আরও জানান, পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যমুনার অরক্ষিত এলাকা চরাঞ্চলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙনে বসতভিটা, চরাঞ্চলের আখ, পাট ও বাদামসহ বহু ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।
ভাঙনকবলিতরা বলছেন, প্রতি বছর যমুনার ভাঙনে শত শত পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। এক সময়ে অনেক জমির মালিক ও সামর্থ্যবান কৃষকরাও ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। তারা হয়ে পড়েছেন ভূমিহীন। গাছপালা নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় পরিবেশেও ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে। স্কুল-কলেজ মাদ্রাসা নদীতে বিলীন হওয়ায় শিক্ষার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক শিশুর লেখাপড়া। ছালাল এলাকার সুফিয়া বেগম (৬০) জানান, ৭ বার তার বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়েছে। নদী এখন ঘরের কাছে। আয়-রোজগারের কেউ নেই।
আরেক বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম জানান, জমি ও বসতভিটা নদীতে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাতে দুশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারি না। মনে হয় কখন বুঝি বসতভিটা নদীগর্ভে চলে যাবে। একই গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, বাপ-দাদার প্রায় ১৫ বিঘা জমি ছিল। সময়ের ব্যবধানে সব নদীতে বিলীন হয়েছে। এখন মাত্র কয়েক শতাংশ জমি আছে। তিনি বলেন, বারবার ঘর করেছি। কিন্তু নদীগর্ভে সব চলে গেছে। ভাঙনকবলিতদের অভিযোগ, এর আগে স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। অতি দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে ভাঙনের হাত থেকে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, যমুনার অরক্ষিত ও ভাঙনকবলিত স্থানগুলোতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com