
প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সবার সামনে উন্মোচন করা হয় চারটি মডেলের আইফোন থার্টিন এবং আইপ্যাড মিনি। নতুন সিরিজের আইফোন মানেই উত্তেজনা। কিন্তু জানেন কি মাত্র এক বিটকয়েনে পাওয়া যাবে কতগুলো আইফোন?
এক বিটকয়েনের বিনিময়মূল্য শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা দুপুর ১২টায় ৪৮ হাজার ৬০০ ডলারের আশপাশে ছিল। ইয়াহু ফাইন্যান্সের তথ্য অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।
অ্যাপল বিশ্লেষক মিং চি কুয়োর জানান, আইফোন ১৩ প্রো এবং প্রো ম্যাক্সে এক টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা থাকবে। অন্যদিকে আইফোন ১৩ এবং ১৩ মিনিতে থাকবে ১২৮ গিগাবাইট, ২৫৬ গিগাবাইট এবং ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা।
আইফোন ১৩-এর দাম শুরু হচ্ছে ৮২৯ ডলার থেকে। সে দামে পাওয়া যাবে ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের সংস্করণটি। ২৫৬ গিগাবাইটে কিনলে দাম পড়বে ৯২৯ ডলার এবং এক হাজার ১২৯ ডলারে মিলবে ৫১২ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৩। সে হিসেবে এক বিটকয়েনে ১২৮ গিগাবাইটের ৫৮টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৫২টি কিংবা ৫১২ গিগাবাইটের ৪৩টি আইফোন ১৩ পাওয়া যাবে।
অন্যদিকে, আইফোন ১৩ মিনির দাম খুব একটা কম নয়। আইফোন ১৩ মিনিতে থাকবে ১২৮ গিগাবাইট, ২৫৬ গিগাবাইট এবং ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা। দাম পড়বে যথাক্রমে ৭২৯ ডলার, ৮২৯ ডলার এবং এক হাজার ২৯ ডলার। সে হিসেবে এক বিটকয়েনের বিনিময়ে ১২৮ গিগাবাইটের ৬৬টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৫৮টি কিংবা ৫১২ গিগাবাইটের ৪৭টি আইফোন ১৩ মিনি পাওয়া যাবে।
এছাড়া, আইফোন প্রো ১৩ পাওয়া যাবে ৯৯৯ ডলারে। এক টেরাবাইট স্টোরেজ সুবিধা আইফোন ১৩ প্রো ও আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সে পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে এক টেরাবাইট স্টোরেজসম্পন্ন আইফোন ১৩ প্রো’র মূল্য এক হাজার ৪৯৯ ও আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের মূল্য গুণতে হবে এক হাজার ৫৯৯ ডলার। সে হিসেবে এক বিটকয়েনে ১২৮ গিগাবাইটের ৪৮টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৪৪টি, ৫১২ গিগাবাইটের ৩৭টি কিংবা এক টেরাবাইটের ৩২টি আইফোন ১৩ প্রো পাওয়া যাবে।
নতুন আইফোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স। দামটাও সবচেয়ে বেশি। ১২৮ গিগাবাইট, ২৫৬ গিগাবাইট, ৫১২ গিগাবাইট এবং এক টেরাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের দাম পড়বে যথাক্রমে এক হাজার ৯৯ ডলার, এক হাজার ১৯৯ ডলার, এক হাজার ৩৯৯ ডলার এবং এক হাজার ৫৯৯ ডলার। সে হিসেবে এক বিট কয়েনে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স কিনতে চাইলে ১২৮ গিগাবাইটের ৪৪টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৪০টি, ৫১২ গিগাবাইটের ৩৪টি এবং এক টেরাবাইট স্টোরেজের ৩০টি পাওয়া যাবে।