বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় এখনো জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান “হয় অর্থ, নয় রক্ত” উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি ক্যারিয়ারের এমন স্বীকৃতি কেইনকেই মানায় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত লড়াইয়ে পরিণত করার কৌশল হতে পারে বুমেরাং কোচদের সেরা দে লা ফুয়েন্তে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠকে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা সানায়ে তাকাইচির

অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত শিশু মাহমুদা এখন ঢাকায়

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 4:24 pm, রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৭

Untitled-2 অনলাইন ডেস্ক, সিএনআই নিউজ  : বৃক্ষ বা শেঁকড় মানব নয়, এবার অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশু কন্যা মাহমুদা খাতুন। উন্নত চিকিৎসার জন্যে শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) তাকে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ তার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে।

মাহমুদা খাতুন (৮) দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ধর্ম্মপুর ইউপি’র কামদেবপুর গ্রামের হতদরিদ্র ভটভটি চালক আব্দুর রহিম ও শহিদা বেগম দম্পত্তির ছোট কন্যা। জানা যায়, জন্মের পর থেকেই আস্তে আস্তে শিশুটির হাত, পাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় প্রথমে ফোঁসকা উঠে এবং পরে ঘাঁ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে হাত ও পায়ের আঙ্গুলগুলি নিষ্ক্রিয় হয়ে মুষ্টিবদ্ধ হয়ে যায় এবং সেই সাথে অঙ্গগুলি ক্ষয় হতে থাকে। ফোঁসকার যন্ত্রনায় সার্বক্ষণিক ছট ফট করে শিশুটি।  ওই শিশুটির বাবা আব্দুর রহিম বলেন, ২০১৪ সাল থেকে পাবর্তীপুর ল্যাম্ব হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পুরোপুরি ফল পাওয়া যায়নি। মাঝখানে গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারী এম আব্দুর রহিম (দিনাজপুর) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তারকে দেখিয়েছিলাম। সেখানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডাক্তার। কিন্তু অর্থের অভাবে ঢাকার হাসপাতালে নিতে পারি নাই। এরপর আবার ল্যাস্ব হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আজও সুস্থ হয়নি। বরং যতই দিন যাচ্ছে, ততই পুরো শরীরে ফোঁসকা উঠছে। অসুস্থ শিশুটির চিকিৎসা করার সাধ্য আমার নাই। চোখের সামনে অবুঝ শিশুটি ধুঁকে ধুঁকে মরার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এরপরেও বাবা হয়ে কিছুই করতে পারছি না। এরপর বিরল ইউএনও এবিএম রওশন কবীরের পরামর্শে ঢাকায় নিয়ে এসেছি।

শিশুটির মা শহিদা বেগম জানান, ৮ বছর আগে দিনাজপুর সদর হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের সময় শারীরিক গঠন ঠিক থাকলেও পরবর্তীতে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয় শিশুটি। কয়েকদিন আগে খবর পেয়ে সিভিল সার্জন ডা. মওলা বকস চৌধুরী শিশুটিকে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনতে বলেন। শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

শিশুটির বাবা আব্দুর রহিম জানায়, ঢাকায় চিকিৎসা করানোর মতো তার কোনো সামর্থ্য নেই। এ জন্য তিনি দেশের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন। সাহায্য পাঠানো ঠিকানা- বিকাশ নম্বর ০১৭৫১৩০০১৭৮ (আবদুর রহিম), রকেট নম্বর ০১৭৫১৩০০১৭৮০। ডাচ-বাংলা ব্যাংক, দিনাজপুর শাখার সঞ্চয়ী ১৭২.১৫১.১৫২৩৯৬ হিসাব নম্বরে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মামুন/সিএনআই নিউজ /২৯১৯

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com