সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ০৩ নং বহুলী ইউনিয়নের ঐতিজ্যবাহী ডুমুর ইছা গ্রামে আধুনিক “আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ” মসজিদ কমপ্লেক্সে এবং আধুনিক মাদ্রাসা ও মাদ্রাসা ময়দান, একটি ঈদগা মাঠ প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং সেই সাথে একটি খেলার মাঠ, আধুনিক প্রতিবন্ধী স্কুল ও স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে এগুলো করা হবে ইনশা আল্লাহ।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ০৩ নং বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামের সাংবাদিক মো ইয়াকুব আলী তালুকদার এর উদ্যোগে ও আহবানে এবং মো আইয়ুব আলী তালুকদার (প্রবাসী) ও মো লিখন আলী তালুকদার (প্রবাসী) এর যৌথ সমন্বয়ে একটি আধুনিক মসজিদ “আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ” ও, “আধুনিক মাদ্রাসা” ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলমান রয়েছে।
মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স এবং মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ হলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা খুব আনন্দে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে মহান রব আল্লাহর নিকট ইবাদত বন্দেগি এবং প্রার্থনা করতে পারবে। তিনি আরও বলেন এই প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মুসলমান তাদের আত্মতৃপ্তির মাধ্যমে ইবাদত বন্দেগি করতে পারবে এবং গরীব দুঃখী অসহায় তলবে এলেম শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতি গঠনের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবে। তারা ইসলামী ধর্মের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ বিদেশের সুনাম অর্জন করতে পারবে ইনশা আল্লাহ। ইহকাল ও পরকালে মুক্তির পথ ও পাথেয় হতে পারে।
মসজিদের পাশাপাশি একটি ঈদগা মাঠ, যুব সমাজের জন্য একটি স্পোর্টিং ক্লাব, একটি খেলারমাঠ তৈরীর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে এই প্রতিষ্ঠান গুলো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সামাজিক নানা রকমের সমস্যা ও বিরোধ মিমাংসার জন্য একটি উত্তম স্থান তৈরী করা হবে। যেখান থেকে যুব সমাজ ভ্রান্ত ও মাদক ছেড়ে দিয়ে এবং আন্তরিকতার সমাজের মাধ্যমে বেড়ে উঠতে পারে এবং দেশের উন্নয়নে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দানের মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে।
তাদের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সাথে বয়জেষ্ঠ প্রবীণ মুরুব্বি মো আব্দুস সাত্তার তালুকদার, মো মঞ্জুর হাসান ঝন্টু, মো আব্দুল মান্নান তালুকদার, মো ঈমান আলী তালুকদার, মো ইউনুস আলী তালুকদার, মো আনোয়ার হোসেন সেখ, মো আদম আলী তালুকদার, মো হাসান সেখ, মো রওশন আলী তালুকদার, মো আব্দুল মোমিন সেখ, মো সুমন তালুকদার, মো ফরজ আলী তালুকদার, মো হারুনর রশীদ হিরোন, মো আশরাফুল ইসলাম, মো আলহাজ্ব আলী তালুকদারসহ আরও অনেকেই একাত্বতা ঘোষণা করেছেন। তারা আরও বলেছেন এই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন ও সফলতায় আমরা সবসময় সহযোগী হিসেবে আজীবন কাজ করে যাবো ইনশা আল্লাহ।
পরিশেষে উদ্যোগক্তা ও আহবায়ক মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন গ্রাম ও এলাকার ছোট বড় সকলকেই এই মহান কাজের সাথে অংশ গ্রহণ করতে হবে এবং সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই আহবান সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও দায়িত্বশীলদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ। আসুন আমরা প্রতিশ্রুতি নয় সাধ্যমতো যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জান ও মাল দিয়ে এবং নিজেদের যোগ্যতাকেও ভালো কাজে লাগিয়ে স্বার্থকতা ও স্বফলতা অর্জন করি ইনশা আল্লাহ। যা পরকালে মুক্তির জন্য পথ ও পাথেয় হতে পারে। আমিন।