শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধামরাইয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা ও কোপানোর অভিযোগ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জন হাসপাতালে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৪০ রাউন্ড গুলি করে ইউপিডিএফ, সাজেক থেকে ৩০০০ পর্যটক উদ্ধার ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করতে ‘প্রস্তুত’ রাশিয়া, তবে চুক্তির বিষয়ে অনাগ্রহী আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী কোমোর কাছে হতাশাজনক হারের পরও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন নন ক্যারিক কাজীপুরে ৭৩ পিস ইয়াবাসহ আটক ৩  প্যারিসের কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ট্রাম্পের দিকে মাখোঁর কটাক্ষ কোমোর কাছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লজ্জাজনক হার

শিক্ষককে মারধর চাঁদা না পেয়ে চেয়ারম্যান পুত্রের

সিএনআই নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : 8:56 pm, বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩

বরগুনার বেতাগীতে সদর ইউপি চেয়ারম্যান পুত্রের একের পর এক কাণ্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

এবার চাঁদা হিসাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফান্ডের টাকার ভাগ না পেয়ে বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান পুত্র মো. গোলাম শাহরিয়ার মনি এবং তারই অনুসারী মো. শাওনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেতাগী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন গ্রেদ লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবু জাফর।

মারধরের শিকার শিক্ষক আবু জাফর অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘বিদ্যালয়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য কোনো বরাদ্দ এলে চেয়ারম্যানের ছেলে মনিকে শতকরা হারে চাঁদা দিতে হয়। আমি যখন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলাম মনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ছিলেন। তখন বিদ্যালয়ের প্রতি উন্নয়ন ফান্ডের বরাদ্দ থেকে তাকে ৫০ শতাংশ হারে কয়েকবার চাঁদা দিতে হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দের খাত থেকে তিনি বিদ্যালয়ে এসে আবার ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি প্রতিবাদ করায় মনি ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ও তার অনুসারী শাওন আমাকে কিল ঘুসি মারা শুরু করেন।

তবে তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান পুত্র মনি বলেন, ‘কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি। ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান সহসভাপতি আমি নিজে, তাই উন্নয়ন ফান্ডের টাকার হিসাব চেয়েছি মাত্র। মাথা গরম ছিল তাই চেয়ার উঠিয়ে মারতে চেয়েছি, তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

বেতাগী উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিক্ষকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি।

বেতাগী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com