
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ১০ নং শাহবন্দেগী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ইউনিয়ন বিএনপি,কৃষকদল, শ্রমিকদল,স্বেচ্ছাসেবকদল,যুবদল,তাঁতীদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ । এ সময় তারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শাহবন্দেগী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পূজামণ্ডপের আয়োজক, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ।
পরিদর্শন কালে নেতৃবৃন্দ বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনায় সবাইকে মিলেমিশে উৎসব উদ্যাপনের আহ্বান জানান। এবং প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে কিনা তার খোঁজ খবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাহবন্দেগী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই সিদ্দিকী হেলাল, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল,নির্বাহী সদস্য বদিউজ্জামান বদি,৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম,সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার মুরাদ, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক নজরুল ইসলাম,ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি বাবুল ইসলাম টিক্কা,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আলম আব্দুল্লাহ,কৃষক দল নেতা তুষার মোহাম্মদ,বিএনপি নেতা আব্দুস সামাদ,ফেরদৌস আলম,আলহাজ্ব মোকাল্লে হোসাইন প্রমুখ।
এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসব নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্ন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমুর দিকনির্দেশনায় শাহাবন্দেগী ইউনিয়ন সহ শেরপুর উপজেলার প্রতিটি মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান,প্রতিটি মন্ডপে আনসারসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত তদারকি করছে। প্রতিটি মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন রয়েছে। এছাড়াও মন্ডপগুলোর সভাপতি সম্পাদকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। বিজয়া দশমীর দিন অতিরিক্ত আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠতে কেউ যাতে মাদক সেবন না করতে পারে সে ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করেছেন এনামুল কবির শ্যামল।