শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আইনানুযায়ী রাজস্ব প্রদানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাঙালিকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে জাতির পিতা অমর হয়ে রয়েছেন : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী শিক্ষাক্রম নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যাচার করা হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপির নেতৃত্বে মূল্যবোধ নৈতিকতা ও সততার ঘাটতি আছে : হানিফ রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিতে অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপি মহাসচিব মিথ্যাচার করেছেন : ওবায়দুল কাদের সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্য নিহত বর্তমান সরকারের সময় শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর দেশে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের কোন দাম বাড়ান হবে না : কৃষিমন্ত্রী

সিএনআই নিউজ
  • আপডেট সময় : 8:47 pm, শনিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৩

তালাবদ্ধ ঘরেই মিলল ২ লাশ

বাড়ির প্রধান ফটক ও ঘরের দরজায় ঝুলছিল তালা। পাঁচ দিন ধরে ওই তালাবদ্ধ ফটক দেখিয়ে স্ত্রী ও একমাত্র শিশু ছেলে নিখোঁজ বলে প্রতিবেশীদের জানান জুমান মিয়া। সন্দেহ হলে স্বজনরা তালা ভেঙে ঘরের ভেতর মা ও ছেলের মরদেহ দেখতে পায়।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড (প্রশিকা মোড়) এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ মা ও ছেলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে।

নিহতরা হলেন রুবিনা আক্তার (২২) ও তার ছেলে রিয়াদ হাসান জিহাদ (৬)। রুবিনা ওই গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে।

স্বজনরা জানিয়েছে, ওই গ্রামে বাবার দেওয়া জমিতে বাড়ি করে সেখানেই একমাত্র ছেলেকে নিয়ে থাকতেন রুবিনা। তার স্বামী জুমান মিয়া পাশে রঙ্গিলাবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে সেখানে একটি দোকানে কাজ করতেন। জুমান মিয়ার গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর পুলিশ জুমান মিয়াকে (২৬) আটক করেছে। তবে এ ঘটনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।

রুবিনার বাবা সিরাজ উদ্দিন জানান, গত মঙ্গলবার থেকে তার মেয়ের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে পাওয়া যাচ্ছিল না। বাড়িতে গিয়ে প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখেন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার (রুবিনা) কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে তাদের সন্দেহ হলে আজ সন্ধ্যায় তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে মেঝেতে রুবিনা ও তার ছেলের অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। সেখানে একটি বিরিয়ানির প্যাকেটও পড়ে ছিল।

নিহত রুবিনার বড় বোন সেলিনা আক্তার জানান, কয়েক দিন আগে রুবিনার সঙ্গে তার স্বামীর ঝগড়া হয়েছিল। ঝগড়ার পর জুমান মিয়া তার ভাড়া বাড়িতে চলে যান। সেখান থেকে দুই দিন পর রাতে ফের তার বোনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, জুমান মিয়া আমার বোন ও তার ছেলেকে হত্যা করেছে। হত্যার পর ঘরের ভেতর লাশ রেখে বাইরে দিয়ে তালা দিয়ে চলে যান।

প্রতিবেশী নবী হোসেন জানান, গত পাঁচ দিন ধরে বাড়ির প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখেন তিনি। পরে রুবিনা আক্তারের স্বামী তালা দেখিয়ে তার স্ত্রী ও ছেলেশিশু নিখোঁজ বলে তাদের জানিয়েছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com