সাভারের আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে ভোট গ্রহণের শেষ সময়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নৌকা মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সোয়া ৪টার দিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের গোমাইল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের মহিলা কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এ ব্যাপারে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্ট ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য বকুল হোসেন সরকার বলেন, আমি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন আহমেদ ভূঁইয়ার এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এসময় আমার কাছে এজেন্টের কার্ড থাকা স্বত্ত্বেও এই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম আমাকে মারধর করে এবং একজন ভোটারকে জোর করে বুথে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বকুল হোসেন এজেন্ট না হয়েও কেন্দ্রের ভেতরে অবস্থান করছিল। আমাদের নৌকার এজেন্ট এবং জেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধর করেন।
বুথে ভোটার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার পরিচিত একজন ভোটার ইভিএমে ভোট দেওয়ার সিস্টেম না বুঝে আমার কাছে সহায়তা চাইলে আমি অনুমতি নিয়ে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছিলাম। এর বেশি কিছু নয়।
এ ব্যাপারে এই কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিসাইডিং অফিসার বলেন, আমাদের এই কক্ষের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে বুথে প্রবেশে বাধা দিয়েছেন এবং আমরা পুলিশের সহায়তায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।
এ ব্যাপারে কেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা বলেন, ভোটগ্রহণের সময় শেষের দিকে একটু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। যা আমরা তখন নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি।