
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রাণকেন্দ্র দিয়ে বয়ে যাওয়া চন্দনা নদীর কচুরিপানা ব্যাক্তিগত উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ আহমেদ আশিক। ১০ জন শ্রমিক নিয়োগ করে নদীর বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করেছেন তিনি। এতে নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে চন্দনা নদীতে কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। শ্রমিকদের মাধ্যমে টানা দুই দিন ধরে এ কার্যক্রম চলবে।
বালিয়াকান্দি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চন্দনা নদীর বালিয়াকান্দি ব্রীজের নিকট কচুরীপনা জমে পচা ও দুগন্ধ ছড়াচ্ছিল। বিষয়টি বিএনপি নেতা আশিককে বলার পর তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কচুরীপনা অপসারণের কাজ শুরু করেছেন। সমাজের এ ধরণের ভালো কাজে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক ফরিদ আহমেদ আশিক বলেন, “চন্দনা নদী বালিয়াকান্দির মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে নদীর বিভিন্ন স্থানে কচুরিপানা জমে দুগন্ধ সৃষ্টি ও পানি প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। তাই মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নিজস্ব অর্থায়নে ১০ জন শ্রমিক দিয়ে কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছি। শ্রমিকদের বেতনও আমার নিজস্ব অর্থায়নে দেওয়া হবে। কাজটি সম্পন্ন করতে দুই দিন সময় লাগতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নদীর কচুরিপানা অপসারণের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং নদীর সৌন্দর্যও অনেকটা ফিরে আসবে।