
কুড়িগ্রামের গয়ারী সানরাইজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়ম করা হয়েছে। কোন প্রকার নোটিশ, প্রচার ও প্রচারনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে তৈরি করা হয় পকেট কমিটি। এই কমিটিতে প্রকৃত অভিভাবক,জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতার নাম বাদ পরায় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার গয়ারী মৌজায় ১৯৯০ ইং সালে আবু তাহের খন্দকার, এনামুল হক খন্দকার ও আফতাব হোসেন খন্দকারের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। এই তিন ব্যাক্তির দানকৃত ৩৪ শতাংশ জমির উপর গড়ে তোলা হয় বিদ্যালয়ের কাঠামো। বিদ্যালয়টি বেসরকারি থেকে রেজিস্ট্রার ও ২০১৩ ইং সালে জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে ১২২ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়ন ও প্রধান সহ ৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। গত ৯/৭/২০২৬ ইং তারিখে এই বিদ্যালয়ের একটি ম্যানিজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোন নোটিশ, প্রচার-প্রচারনা ও অভিভাবক সমাবেশ ছাড়াই অবৈধ পন্তায় মনগড়া পকেট কমিটি গঠন করেন প্রধান শিক্ষক। এই কমিটি গঠনের বিষয়ে জমিদাতা,প্রতিষ্ঠাতা ও অভিভাবক গন কিছুই জানেন না। ১২ জনের এই কমিটিতে যাদের মনোনীত করা হয়েছে তাদের সবাইকে অবৈধ ভাবে মনোনয় দেয়া হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক গোলাপ উদ্দিনকে। অভিভাবক আব্দুস সালাম,আবুল হোসেন,নিতাই চন্দ্র, শিখা রানী,আফরোজা বেগম বলেন,কমিটি গঠনের বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা। কবে কমিটি গঠন করা হয়েছে কারা এই কমিটি হলেন কিছু আমরা বলতে পারিনা। আমরা এই অবৈধ কমিটি মানিনা। আফতাব হোসেন খন্দকার বলেন, কমিটি গঠনের বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা। প্রধান শিক্ষক একক সিদ্ধান্তে এই কমিটি গঠন করেছেন। আমি এই বিদ্যালয়ের জমিদাতা,প্রতিষ্ঠাতা ও এমএ পাস ব্যক্তি হওয়ার পরেও আমাকে এই কমিটিতে রাখা হয়নি। প্রধান শিক্ষক মোঃ ইয়াকুব আলী বলেন,ছাত্র -ছাত্রীদের দিয়ে খবর দিয়েছি। কোন অভিভাবক আসেনি। সময় কম তাই সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক গোলাপ উদ্দিন বিএ পাস হওয়ায় তাকেই রেজুলেশনে সভাপতি মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। অন্য সদস্যদের নিয়ম অনুয়ায়ী মনোনয়ন দিয়েছি। দাতা সদস্যর মনোনয়ন দেয়া হয়েছে এনামুল হক খন্দকারকে।