
সাভারের উল্লাইল কর্ণপাড়া এলাকার দাওয়াতুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফ্জ মাদ্রাসা ও হুমায়রা জান্নাত হিফ্জ বালিকা মাদ্রাসায় ঘটেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
স্থানীয় সিরাজুল ইসলামের তিন তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে প্রিন্সিপাল আনাছ আলী এই মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছিলেন, যেখানে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ জন শিশু পড়াশোনা করত। অভিযোগ উঠেছে, গত কয়েকদিন ধরে কোমলমতি শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন প্রিন্সিপাল আনাছ আলী।
আজ বিষয়টি জানতে পেরে অভিভাবকরা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান। ক্ষোভের মুখে পড়ে প্রিন্সিপাল আনাছ আলীসহ অন্য শিক্ষকরা অবুঝ শিশুদের রেখেই দ্রত পালিয়ে যায়!
পরে ৯৯৯–এ খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আতঙ্কিত শিশুদের উদ্ধার করে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়। তবে চরম উদ্বেগের বিষয় হলো, ঘটনার পর থেকে আব্দুল্লাহ আল মুহিন নামের এক শিশু শিক্ষার্থী এখনো নিখোঁজ রয়েছে!
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই নূরুল ইসলাম জানান, নিখোঁজ শিশুর সন্ধান ও আসামীদের গ্রেফতারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পবিত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের ওপর এমন পৈশাচিক আচরণের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান ভুক্তভোগী অভিভাবকরা।