মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে আশুলিয়ার ঘোষবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে এঘটনায় ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে জাহিদের ইন্টারনেট ব্যবসা দখল নিতে তার ওপর হামলা করা হয়েছে বলে তারও দাবী।
আহত মাসুদ করিম অভিযোগ করে বলেন, আমাদেরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যেই সেখানে আটক করে রেখে নির্মমভাবে মারধর করেছে। তারা লোহার রড, পাইপ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে আমার হাত ও রানার পা ভেঙে দেয়। তিনি আরও বলেন, জাহিদ ভূইয়া ও জামান ভূইয়া তারা দুজনই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার আসামি। তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অভিযোগ রয়েছে। এলাকাজুড়ে তারা প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। এই ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। আমাদের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার জন্যই তারা বারবার নেট লাইনের তার কেটে ক্ষতি করছিল। এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের উপর এমন নৃশংস হামলা চালিয়েছে।আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং জড়িত সকল আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমরা ও আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি করছি।
এবিষয়ে মুঠোফোনে জাহিদ ভূইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কোন দল করি না, সবাইর সাথে ভালো সম্পর্ক।এমনতো না, যে আমার কোন পদ-পদবী আছে। দু-একজনের সাথে ছবি থাকতেই পারে। আসলে আমাদের এলাকায় রাজনীতি বলতে কিছু না। এলাকায় যারা বিএনপি করে তারা ভাই-মামা এবং আওয়ামী লীগ করে যারা তারাও আমার ভাই-মামা। অন্যদিকে তিনি আরও বলেন, আমার বাবা জামান ভূইয়া বিএনপির সদস্য। বর্তমান কমিটিতে আছেন এবং দল থেকে তাকে প্রত্যায়ন পত্রও দেওয়া হয়েছে বলেও তার দাবী। তিনি আরও বলেন, আমার নেট ব্যবসা দখল নিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে পায়তারা করে আসছিলো। আমি ব্যবসা দেইনি বিধায় আমার ও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম জানান, এঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।