বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় এখনো জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান “হয় অর্থ, নয় রক্ত” উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি ক্যারিয়ারের এমন স্বীকৃতি কেইনকেই মানায় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত লড়াইয়ে পরিণত করার কৌশল হতে পারে বুমেরাং কোচদের সেরা দে লা ফুয়েন্তে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠকে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা সানায়ে তাকাইচির

পানিশূন্যতা পূরণে পানিজাতীয় খাবার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 4:13 pm, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮

dca1289eb06b6fd90c812a1216c10cd7-5a683b854b2b9সিএনআই নিউজ : শীত যখন আজ আছি, কাল যাই যাই করছে তখন বাতাসে বেড়েছে আর্দ্রতার পরিমাণ। সারা শীতে ঠান্ডা পানি খেতে ভালো লাগে না আর গরম পানি সব সময় পাওয়া যায় না বলে পানি খাওয়া হয়নি অনেকটাই। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে পানিশূন্যতা। শহরে যখন বসন্তের আগমনী আবহাওয়া তৈরি হয়েছে তখন মিষ্টি মধুর এই বাতাসের সব থেকে বড় অসুবিধা হচ্ছে, পরিমাণমতো পানি খাওয়া হচ্ছে না। শীতের পানিশূন্যতা আর জলবায়ুর এই পরিবর্তনে হুট করে অসুস্থ হওয়ার ভয় আছে। পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ আখতারুননাহার আলো।

পানিশূন্যতার অন্যতম বড় লক্ষণ হচ্ছে গলা শুকিয়ে আসা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা, কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা ঘোরা, বমিভাব, মাথাব্যথা, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, গিঁটে ব্যথা। এর যেকোনোটি থেকেই তৈরি হতে পারে ভয়ংকর সমস্যা। তাই এ ধরনের লক্ষণ .দেখা দিলে সবার আগে পানিশূন্যতা দূর করার চেষ্টা করতে হবে। শীতে প্রতিদিন চাই অন্তত ৬-৮ গ্লাস পানি। কেউ শারীরিক পরিশ্রম করলে বা ব্যায়াম করলে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। নারী, পুরুষ, শিশু এবং তাদের বয়স ও শারীরিক আকৃতিভেদেও পানির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
পানি
পানিশূন্যতা দূর করতে শীতে গরম পানি পান করা যেতে পারে। গরম পানিতে ঘাম হয়, তাই শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বের হয়ে যায়। চেষ্টা করুন খাবার খাওয়ার পর গরম পানি পান করতে। তাতে অম্বলের সমস্যা কমে যাবে। এই আবহাওয়ায় গরম বা ঠান্ডা পানি পান করতে সমস্যা হলে ঠান্ডা ও গরম পানি মিলিয়ে নিতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে খুব বেশি গরম পানি বা ঠান্ডা পানি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।
শসা
শীতে সাধারণত একটু ভারী বা তেল চর্বির খাবার খাওয়া হয়। তাই একদিকে যেমন ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে, অন্যদিকে নানা অসুখের ভয়ও বেড়ে যায়। তাই সালাদ খাওয়া জরুরি। এই শীতে শসা খেতে পারেন খান। শসায় রয়েছে ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ পানি। কাঁচা খেতে ভালো না লাগলে একটু দই আর পুদিনা পাতা মিশিয়ে জুস করে পান করতে পারেন।
ফল
প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আপেলে ৮৬ শতাংশ পানি থাকে। আর কমলা খেলেও কমে যাবে পানিশূন্যতা। মৌসুমি নানা ফল খেতে পারেন।
বাঁধাকপি
বাঁধাকপির ৯৫ শতাংশই পানি। এতে আছে অন্যান্য নিউট্রিয়েন্ট। প্রচুর পরিমাণে আঁশ আছে।
ফুলকপি
৯২ শতাংশ পানি ছাড়াও ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে আছে। যা অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরিতে প্রায় ৯১ শতাংশ পানি আছে। প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর ফ্ল্যাভোনয়েডস আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।
দই
দইতে প্রায় ৮৫ শতাংশ পানি পাওয়া যায়। ইলেকট্রোলাইটস ও প্রোটিনের দারুণ উৎস, যা আপনার হৃৎপিণ্ডসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
সবজি
টমেটোতে পানির পরিমাণ প্রায় ৯৫ শতাংশ। লেটুসপাতায় আছে ৯৫ শতাংশ পানি। আর ব্রকলিতে প্রায় ৮৯ শতাংশ পানি থাকে। তাই এই শীতে পানির বদলে খাওয়া যেতে পারে এসব সবজি।
স্যুপ
স্যুপে যে প্রচুর পানি থাকে সেটা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই মৌসুমে প্রচুর স্যুপ খাওয়া যেতে পারে। নানা মৌসুমি সবজির সঙ্গে মাংস মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন স্যুপ।

 

 

 

 

 

শাহানাজ আক্তার/সিএনআই নিউজ/৫০৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com