বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় এখনো জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান “হয় অর্থ, নয় রক্ত” উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি ক্যারিয়ারের এমন স্বীকৃতি কেইনকেই মানায় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত লড়াইয়ে পরিণত করার কৌশল হতে পারে বুমেরাং কোচদের সেরা দে লা ফুয়েন্তে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠকে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা সানায়ে তাকাইচির

ডায়েট করেও হতাশা!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 3:28 pm, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭

cf956a72ce337ed4a9a8aa6bdbd52b7e-5a3a03050180fসিএনআই নিউজ : ইচ্ছামতো খেতে সবারই কমবেশি ইচ্ছা করে। কিন্তু শুধু খেলেই তো হবে না, খেয়াল রাখতে হবে সুস্থতার দিকেও। খুব বেশি খেয়ে ফেলা বা অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন থেকে তৈরি হয় নানা ধরনের সমস্যা। বিশেষত ওজন বৃদ্ধি। তাতে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়, অন্যদিকে কঠিন হয় ওজন কমানোটাও।

ওজন বেড়ে যাওয়ার পর সবারই প্রথম দিকে মনে হতে পারে খুব দ্রুত ওজন কমিয়ে ফেলব। কিছুদিন ডায়েট আর ব্যায়ামও চলে। কিন্তু তাতেও যখন ওজন কমে না, শুরু হয় হতাশা। এরপর আবার ইচ্ছামতো খাওয়া, আগের থেকেও ওজন বেড়ে যাওয়া। আরও বেশি হতাশা।

‘অনেকে ভাবেন অনেকটা সময় না খেয়ে থাকলেই ওজন কমবে। এটা ভুল। দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকা যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকর, তেমন তখন অনেক খাবার একবারে খেয়ে ফেলার ঝুঁকিও থাকে। অনেকে হয়তো ভাবেন, অল্প খেলাম কিন্তু যা খাচ্ছেন তার পুরোটাই অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার। মানুষ যখন দেখে নিয়ম মেনে চলতে হবে, খাবার খেতে হবে হিসাব করে বা নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করতে হবে, তখন অনেকেই সেটা মেনে নিতে পারেন না। তখনই হতাশা চলে আসে।’

ওজন কমানোর জন্য সবার প্রথমেই মানতে হবে কিছু নিয়ম। আবার অনেকে হয়তো সাত দিন ডায়েট করে দেখেন ওজন কমে গেছে, তখন একদিন ইচ্ছামতো খেয়ে নেন। এই ইচ্ছামতো খাবার খাওয়ার জন্যই দেখা যায় দুই কেজি ওজন বেড়ে গেছে। আবার কেউ হয়তো কিছুটা মানছে কিছুটা মানছেন না, তাই ওজন কমছে না। আবার যাঁদের ওজন অনেক বেশি, তাঁদের দীর্ঘদিন ডায়েটে থাকতে হয়। অনেক দিন ডায়েট করার জন্য তাঁদের মধ্যেও হতাশা চলে আসে। তাই খুব বেশি সময় নষ্ট না করে নিয়ম মেনে অল্প দিনে ওজন কমালে সুবিধা হয়।

অনেককে দেখা যায়, এক মাস পর পুষ্টিবিদের কাছে যাওয়ার সময় নিয়েও অবহেলা করেন। এক মাস পর যাওয়ার আগে ওজন কমে গেছে দেখে সেই ডায়েট চার্টই অনুসরণ করেন অনেক দিন। কিন্তু ওজন কমে না। ওজন কমাতে হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডায়েট চার্টেও পরিবর্তন আনা দরকার। তখনো কিন্তু একধরনের হতাশা তৈরি হয়। কারণ ডায়েট করার পরও ওজন কমছে না। এখানে মনে রাখা দরকার, ডায়েট করলেও সেটি ঠিকমতো করা হচ্ছে না।

ডায়েট করা আসলেই কিছুটা কষ্টের ব্যাপার। অনেক সময় একটু অন্য ধরনের খাবারের জন্য আগ্রহ তৈরি হয়। তখন আপনি খান, সমস্যা নেই। মাসে এক দিন বা দুই দিন ইচ্ছামতো খাওয়া যেতে পারে। তবে সেদিন একটু ব্যায়াম করে বা আধঘণ্টা হেঁটে সেই ক্যালরি খরচ করে ঘুমাতে গেলে কিন্তু আর ভয় নেই। খাবার খেয়ে ক্যালরি গ্রহণ করে তা খরচ না করলেই ওজন বাড়ে।

শরীরের সুস্থতা আনতে মনের অসুস্থতা কারোরই কাম্য নয়। ওজন কমাতে চাই শরীরের সঙ্গে মনের যতœও। আর কিছুটা নিয়ম মেনে চললেই ইচ্ছাশক্তিও থাকবে অটুট।

 

 

 
শাহানাজ আক্তার/সিএনআই নিউজ/০২৭৯

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com