ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, দেশে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার মতো ভূতাত্ত্বিকভাবে সক্রিয় প্রায় ১৩টি ফাটলরেখা রয়েছে। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব
আরব সাগরে সৃষ্ট গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার ছুঁয়ে ফেলতে পারে বলে নতুন বুলেটিনে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া ভবন। শনিবার
অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’র প্রভাব পাকিস্তান ও ভারতের উপকূলে পড়তে পারে। এটির গতিপথ সামান্য পরিবর্তন হয়েছে। পাকিস্তানের আবহাওয়া দফতরের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। শুক্রবার প্রকাশিত সর্বশেষ
দেশের ৯ জেলার ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা তৈরী অব্যাহত থাকার কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয়
দেশের ছয়টি জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যান্য জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া দেশের ১১ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে
হিট স্ট্রোক করে সারাদেশে এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ২০ জনের মতো মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ফোরাম। সংগঠনটির হিসেব মতে, এর মধ্যে শিশু ১ জন, নারী ৫ জন এবং
দেশের দু’টি জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৫৭টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের ওপর দিয়ে চলমান এই তাপপ্রবাহ আরও পাঁচ থেকে ছয় দিন
দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝড় বয়ে যেতে পারে। এছাড়া ১০টি অঞ্চলে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে
প্রচণ্ড গরমে পুড়ছে দেশ। বৃষ্টির কোনো লক্ষণ নেই। মে মাসের শেষ দিক থেকে দেশের ওপর দিয়ে এখন মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। এই তাপপ্রবাহ বুধবার (০৭ জুন) পর্যন্ত স্থায়ী হতে