
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ডস (এলএমএস)। প্রথমটা পরিচিতি। দ্বিতীয়টা নিশ্চয়ই অপরিচিত। আইসিসি ক্রিকেট দুনিয়ার অভিভাবক। ‘এলএমএস’ও ক্রিকেট ‘দুনিয়ার’ অভিভাবক! তবে তাদের ‘দুনিয়া’টা সম্পূর্ণ নিজস্ব। ব্যতিক্রম!
আইসিসির মতো ‘এলএমএস’র ক্রিকেট সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। আইসিসির যেমন দলীয়, খেলোয়াড় ভিত্তিক র্যাংকিং রয়েছে ‘এলএমএস’রও ঠিক তাই। পাঠক নিশ্চয়ই বিস্মিত হচ্ছেন। আরেকটু ধৈর্য ধরলে এই বিস্ময় কেটে যাবে।
লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ডস (এলএমএস) হচ্ছে আন্তর্জাতিক অ্যামেচার ক্রিকেট লিগ। প্রতিটি দলে আটজন করে খেলোয়াড় থাকেন। খেলা ২০ ওভারে। ৫ বলে ওভার। শেষ ব্যাটসম্যান একাই ব্যাট করতে পারবেন। তবে সিঙ্গেল নিতে পারবেন না। ডাবল অথবা বাউন্ডারি হাঁকাতে হবে। মূলত এ কারণেই নাম হয়েছে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ডস (এলএমএস)। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। যেখানে ঢুকলেই দেখা যাবে প্রতিটি দেশের লিগ ম্যাচের লাইভ স্কোর। বল টু বল আপডেট।
গত পরশু বাংলাদেশে শেষ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক লিগ। যেখানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি। এর আগে শেষ হয় কর্পোরেট লিগ। এভাবে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এলএমএসের কার্যক্রম চালু রয়েছে।
লিগে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের এবং দলগুলোর বিশ্ব র্যাংকিং করা হয়। ওয়েব সাইটে পরিষ্কারভাবে বিস্তারিত দেয়া আছে। যে কেউ যে কোনো যায়গায় বসে তা দেখে নিতে পারেন।
‘এলএমএস’ চালু হয় ২০০৫ সালে। লন্ডনে। বিজরোন বিগ্রস এবং ওয়েন গ্রেভ নামক দুই তরুণের হাত ধরে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। পূর্ণ সহযোগিতাও করছে।
বাংলাদেশে এই লিগের দায়িত্বে আছেন রিফাতুল ইসলাম এবং হাসিব আহমেদ। রিফাতুল ‘এলএমএস’ ঢাকার ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হাসিব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখনো এই লিগটির সঙ্গে সরাসরি যুক্তি হয়নি। তবে আলোচনা চলছে। সামনের বছরই বিসিবির সহযোগিতায় গোটা দেশে এই লিগ চালু হতে পারে।