
দেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান ও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টেষ্ট ক্যাপ্টেন মুশফিকুর রহিমের আজ ২৮ তম জন্মদিন। আজ জন্মদিন উপলক্ষে তার ভেরিফাইড করা ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোষ্ট করা হয় যেখানে দেখা গেছে তার ভায়রা-ভাই মাহমুদউল্লাহ তাকে কেক খাইয়ে দিচ্ছে।বলা হয়ে থাকে তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ট্যালেন্টেড ব্যাটসম্যান।
২০০৫ সালে ইংল্যান্ড সফরে মুশফিক প্রথমবারের মত জাতীয় দলে সুযোগ পান। ইংল্যান্ডের মাটিতে এটাই ছিলো বাংলাদেশের প্রথম সফর। অপরিচিত পরিবেশ এবং সীম বোলিংয়ের মোকাবেলায় 
যথেষ্ট ভুগতে হয়। প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলে মুশফিক পরিবেশের সাথে ধাতস্থ হয়ে নেন। যার প্রমাণ সাসেক্সের বিরুদ্ধে তার ৬৩ রানের ইনিংস এবং নটিংহ্যাম্পশায়ারের বিরুদ্ধে করা অপরাজিত ১১৫।
শুরুর দিকে যদিও তাকে কেবল উইকেট-কিপার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল, গা গরমের ম্যাচগুলোতে তার ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন নির্বাচকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। ফলশ্রুতিতে লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তিনি স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে জায়গা করে নেন।
১৬ বছর বয়সী এই তরুণ প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান। দল অল আউট হয় ১০৮ রানে এবং সেদিন মাত্র তিনজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছুতে সমর্থ হন। এ্যাংকেল ইনজুরির কবলে পড়ায় সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো তার আর খেলা হয়নি মুশফিকের।সে থেকেই শুরু তার জাতীয় দলে পর্দাপন ,এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।এরপর ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় লিটল মাষ্টারকে।তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এশিয়া কাপে নিজেদের সেরা সাফল্য রানার্সআপ হওয়ার গেীরব অর্জন করে।
মুশফিক দেশের হয়ে ৪৩ টেষ্টে ২৫৫১ রান ও ১৪৭টি ওডিআই খেলে করে ৩৪০৯ রান।