রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের সাধুখালী মই বিলে কানাই মন্ডলের পুকুর চালা থেকে সাধুখালী সরিষার বিল ভায়া সাধুখালী শাধুরীর বাড়ী সংলগ্ন ব্রীজ হতে বহলাকুন্ডু রতনের পুকুর চালা পর্যন্ত খাল খননও পুনঃখনন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ তারিফ-উল-হাসান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধরী মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কোহিনূর জাহান, বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ রব তালুকদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান জঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কল্লোল বসু, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার ভুঁইয়া, আনোয়ার হোসেন, মাসুদুর রহমান, ফরিদ আহম্মেদ আশিকসহ এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান খাল পুনঃখনন ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছর কর্মসূচির আওতায় বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের সাধুখালী মই বিলে কানাই মন্ডলের পুকুর চালা থেকে সাধুখালী সরিষার বিল ভায়া সাধুখালী শাধুরীর বাড়ী সংলগ্ন ব্রীজ হতে বহলাকুন্ডু রতনের পুকুর চালা পর্যন্ত খাল খনন ও পুনঃখনন। যাহার বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৫১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা। ১১৯জন উপকারভোগী ৫০০ টাকা বেতনে ৪৩দিন কাজ করবেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ তারিফ-উল-হাসান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। এর ফলে স্থানীয় কৃষকরা সেচ ব্যবস্থায় বাড়তি সুবিধা পাবেন।
এসময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা বলেন, দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় এ ধরনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশব্যাপী এসব উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে সারাদেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি’ শুরু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৪টি জেলায় ৬৩টি খাল খনন করা হচ্ছে।