সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে চলতি মৌসুমে আগাম জাতের বোরো ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়েছে। গতকাল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে চালিতাভাঙ্গা ইউনিয়নের দূর্গতিয়াপাড়া গ্রামের কৃষক আসাদুল ইসলামের জমিতে ব্রি ধান-৮৮ এর নমুনা শস্য কর্তন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। এ বছর বোরো আবাদে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে, যা গত বছরের ১৩ হাজার ১০৫ হেক্টরের তুলনায় বেশি।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে ধানের রোগবালাই দমনে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি করা হচ্ছে এবং রোগবালাই দেখা দিলে দ্রুত করণীয় বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, উফশী জাতের ধান চাষে প্রণোদনার আওতায় ১ হাজার ১০০ জন কৃষককে সহায়তা দেয়া হয়েছে। প্রতিজন কৃষককে ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া হাইব্রিড ধান চাষে উৎসাহ দিতে ৭০০ জন কৃষককে ২ কেজি করে বীজ দেয়া হয়েছে। এ মৌসুমে ব্রি ধান-২৮, ২৯, ৮৮, ৯২, ৯৯, ১০০, ১০২ ও ১০৮ জাতের পাশাপাশি কাটারি ও সুবলতা জাতের ধান চাষাবাদ হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) আনোয়ার সাদাত, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোজাহিদুল ইসলাম, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানসহ স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।