বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় এখনো জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান “হয় অর্থ, নয় রক্ত” উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি ক্যারিয়ারের এমন স্বীকৃতি কেইনকেই মানায় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত লড়াইয়ে পরিণত করার কৌশল হতে পারে বুমেরাং কোচদের সেরা দে লা ফুয়েন্তে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠকে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা সানায়ে তাকাইচির

স্ট্রোকের উপসর্গ ও প্রতিকার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 2:30 pm, শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৭

Bd-pratidin-28-10-17-F-22সিএনআই নিউজ :

স্ট্রোক নিয়ে সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে। প্রায়ই লক্ষ করা যায়, কেউ কেউ দেহের ছোট-খাটো বিষয়ে অবহেলা করে থাকেন। যা মোটেও কাম্য নয়। হঠাৎ সামান্য মাথা ঘুরে যাওয়া বা চোখে ঝাপসা দেখাকে আমরা অনেক সময় উপেক্ষা করে থাকি। কিন্তু এগুলোই আবার ছোটখাটো স্ট্রোকের লক্ষণও হতে পারে। এমনকি পরবর্তীতে বিরাট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বলক্ষণও হতে পারে। মিনি স্ট্রোক হয়েছে এমন ১২ জনের একজন এক সপ্তাহের মধ্যে মারাত্মক এবং স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হবেন এটা এখন স্বীকৃত। যাদের পূর্ণাঙ্গ স্ট্রোক হয়েছে তাদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ এক বছরের মধ্যে মারা যান এবং এক তৃতীয়াংশ স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হন। পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ স্ট্রোক আর হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। তবে সৌভাগ্যক্রমে খুব সহজ অপারেশন দিয়ে মিনি স্ট্রোক থেকে পুরো স্ট্রোক হওয়া বন্ধ করা যায়। স্ট্রোক আর মিনি স্ট্রোকের উপসর্গ একই রকম। চোখে ঝাপসা দেখা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, আর শরীরের এক দিকে বা একটা হাতে বা পায়ে দুর্বলতা। মিনি স্ট্রোকে এই উপসর্গগুলো ২৪ ঘণ্টার মাঝেই সেরে যায়। অন্যদিকে পুরো স্ট্রোকে একজন রোগী জীবনের জন্য পঙ্গু ও বোবা হয়ে যেতে পারেন। উভয় ক্ষেত্রেই মূল কারণ হচ্ছে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব আর এটা হয়ে থাকে, ক্যারোটিড আর্টারি সরু হয়ে যাওয়ার জন্য। আর এটা হয় মূলত ক্যারটিড আর্টারির মধ্যে কোলেস্টেরল জমে যাওয়ার জন্যই। মস্তিষ্কের রক্ত নিয়ে যায় ক্যারটিড আর্টারি আর এর দেয়ালে চর্বি জমে এই ক্যারটিড আর্টারি ক্রমান্বয়ে সরু হতে থাকে। এক সময় এই চর্বির পর্দা ফেটে গিয়ে রক্তনালির ভিতর ঘা হয়ে যায়। এই ঘায়ের ওপর আবার রক্ত জমাট বাঁধে আর হঠাৎ করে এক টুকরো জমাট রক্ত ভেঙে মস্তিষ্কে আটকা পড়ে এবং স্ট্রোকের এটাই মূল কারণ। চর্বির এই স্তর সরিয়ে ফেলার অপারেশনকেই ক্যারটিড অ্যান্ডারটারেক্টমি বলা হয়।
ক্যারটিড অ্যান্ডারটারেক্টমি অপারেশনে কানের লতি থেকে নিচের দিকে চার ইঞ্চি লম্বা একটা কাটা দিয়ে, ক্যারটিড আর্টারির মধ্যে জমে থাকা ময়লা বের করে নিয়ে আসা হয়।

ডা. এস.এম.জি কিবরিয়া

কো-অর্ডিনেটর, ভাস্কুলার সার্জারি

এ্যাপোলো হসপিটালস ঢাকা।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com