মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্ত্রী-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমার শক্তি- সামিউল ইসলাম খান সজীব চেয়ারম্যান প্রার্থী, আমতা ইউপি ভারতের টানা ষষ্ঠ সিরিজ জয়ের মিশনে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ নিউজিল্যান্ডের কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে : রিজভী সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ভাগ্যে এবার কি আছে! সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি মিষ্টির শূন্য আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সাক্ষাৎ

‘মনে হচ্ছিল আমি মারা যাচ্ছি’

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 7:25 pm, বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০১৬

মাত্র ২৬ বছর বয়সেই বাধ্য হয়ে ক্রিকেট ছেড়ে দিলেন। হেরে গেলেন হৃদরোগের কাছে। ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান জেমস টেইলরের ডাক্তার জানিয়েছেন তার এআরভিসিতে (অ্যারিথমোজেনিক রাইট ভেন্ট্রিকুলার অ্যারিথমিয়া) আক্রান্ত।

এই রোগে  প্রায় মৃত্যুর কাছেই পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। ভাগ্যের জোড়েই ফিরে এসেছেন মৃত্যুর কাছ থেকে, এমনটাই মানছেন টেইলর। মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে আসার সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন একটি অনুষ্ঠানে।

‘আর দশটা দিনের মতই সেদিন সকালে উঠে দলের (নটিংহ্যামশায়ার) সঙ্গে ওয়ার্ম আপে যোগ দিয়েছিলাম। একেবারে শেষ দিকে গিয়ে বুকে কেমন জানি চাপ অনুভব করছিলাম। এছাড়াও মনে হচ্ছিল আমার হৃদস্পন্দন ঘণ্টায় লক্ষ মাইল বেগে ছুটছে। অথচ আমরা কিন্তু তেমন কিছুই করছিলাম না। রুটিন মাফিক কিছু ক্যাচ আর বল ছোড়াছুড়ি। হৃৎপিন্ডের ভিতর মনে হচ্ছিল তাণ্ডব চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তখন সম্ভবত তাপমাত্রা মাত্র ৪ ডিগ্রি ছিল। সত্যিই খুব ঠাণ্ডা ছিল। আর আমি তা ভিতরে অনুভব করতে পারছিলাম। তবে সেই হাড়কাঁপানো শীতেও আমার টপটপ করে ঘাম ঝরছিল। তখনই আমি বুঝতে পারছিলাম আমি স্বাভাবিক নেই। ঠিক ওই সময়টাতে আমার মনে হচ্ছিল আমি মারা যাচ্ছি।’

চিকিৎসাধীন টেইলর। ছবিঃ ইন্সটাগ্রাম

টেইলরের জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর খবরটি ছিল যখন চিকিৎসক তাকে জানান, অধিকাংশ রোগীর শরীরে এআরসিভির প্রমাণ পাওয়া যায় মৃত্যুর পর ময়নাতদন্তে। তিনি বলেন, ‘এ কথা শুনে কোন মতে কান্না চেপে রেখেছিলাম। আর নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছিলাম। তখন বুঝেছিলাম কতটা ভাগ্যবান হলে এই গল্প বলার জন্য এখনও আমি বেঁচে আছি।’

তবে তার সুস্থতার পেছনে পুরো অবদানটাই টেইলর নিজের চিকিৎসকদের দিয়েছেন। তাদের কারণেই আজকে সবার সামনে তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরতে পেরেছেন বলে জানান।

টেইলর বেশ ভয়ঙ্কর একটি সময়ই পার করেছেন। ক্রিকেট ক্যারিয়ারের মাত্র ছয় বছরের মাথায় অবসর নিতে হয়েছে তাকে। যা তার জন্য কঠিনতম সিদ্ধান্তের একটি ছিল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের হয়ে মাত্র ৭টি টেস্ট এবং ২৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com