
নাসির হোসেনের বদলে দলটির আইকন খেলোয়াড় হয়েছিলেন সাব্বির রহমান। তবে আগের তিন ম্যাচের কোনটিতেই ভালো করতে পারেন নি জাতীয় দলের অমিত সম্ভাবনাময় এই খেলোয়াড়। তবে চতুর্থ ম্যাচে এসে ঠিকই প্রমাণ করলেন কেন তাকে নিয়ে এতো মাতামাতি। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাট হাতে আরেকটি অসাধারণ ইনিংস দেখালেন সাব্বির রহমান।

শেখ জামালের বিপক্ষে ৯৬ বলে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেছেন সাব্বির আর তাতে ম্লান হয়ে গিয়েছে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট নেয়া মাহমুদউল্লার কীর্তি। সাব্বিরের সেঞ্চুরি আর নুরুল হাসান সোহানের অর্ধশতকে ৯ উইকেটে ৩১৮ রানের পাহাড়সম রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে প্রাইম ব্যাংক।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা প্রাইম ব্যাংককে উদ্বোধনী জুটিতে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন মেহেদী মারুফ ও শানাজ আহমেদ। দলীয় ৭৯ রানে ব্যক্তিগত ৩৫ রান করে নাজমুস সাদাতের বলে আউট হয়ে ফিরে আসেন মেহেদী মারুফ।
এরপর শানাজকে নিয়ে রানের চাকা ঘোরানোর দায়িত্ব নেন সাব্বির। দলীয় ১৪০ রানে জীবন মেন্ডিসের বলে আউট হন শানাজ। ৭৭ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। শানাজ আউট হলেও সোহানকে নিয়ে ১৩৩ রানের জুটি গড়েন সাব্বির।
৯৬ বলে যখন সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দলের রান তখন ২৭৩। মাহমুদউল্লাহর বলটা স্কয়ার লেগের দিকে ঠেলেই এক রান নিলেন সাব্বির। আর তাতেই ৫ বছর পর সেঞ্চুরির মুখ দেখলেন এই ব্যাটসম্যান। ২০১০ সালে বগুড়ায় খুলনা বিভাগের বিপক্ষে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন সাব্বির।
এরপর পর পর দুই ওভারে প্রথমে সোহান ও পরের ওভারে সাব্বিরের উইকেট হারায় প্রাইম ব্যাংক। ৮টি চার ও একটি ছক্কায় ১০০ করে বিদায় নেন সাব্বির। ৬৭ বলে ৬৩ রান করেন সোহান। এরপর অধিনায়ক শুভাগত হোম ও তাইবুর রহমান দলের স্কোরটাকে ৩১৮ তে নিয়ে যান।
জামালের মাহমুদউল্লাহ ৬৬ রানে নেন ৫ উইকেট।