
স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ওষুধ। আর ওষুধ সংরক্ষণ ও বিতরণের কাজ হচ্ছে ফার্মাসিস্টের। ফার্মেসি অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (pharmecy ordinance 1976) দ্বারা ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ গঠিত হয় এবং দেশের ফার্মেসি পেশাকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল হতে রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট বা ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স কর্তৃক স্বীকৃত বা অনুমোদিত কোন পেশাদারী ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ প্রাকটিস করতে পারবেন না।
আইন থাকার পরেও দেশের চিত্র ভিন্ন।বাংলাদেশের প্রায় দুই লাখ ফার্মেসিতে ৯৯.৯৫ ভাগ ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্ট নাই, অথচ দেশে অনেক ফার্মাসিস্ট বেকার।
রোগ প্রতিরোধ-প্রতিকারে আমরা ওষুধ ব্যবহার করি। সঠিক সময় সঠিক মাত্রায় সঠিক ওষুধটি প্রয়োগ করলে আমরা অল্প ওষুধেই সুফল পেয়ে থাকি ও সুস্থ হয়ে উঠি। ওষুধের রোগ সারানোর অপূর্ব ক্ষমতাকে শুধু আমরা ধর্তব্যের মধ্যে নিয়ে থাকি। কিন্তু রোগ সারানোর পাশাপাশি ওষুধ যে আমাদের শরীরে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তা আমরা মনে রাখি না। কোনো কোনো সময় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিষক্রিয়া বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে এবং এর ফলে মানুষ মারাও যেতে পারে। এ বিপজ্জনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে।
মনে রাখা উচিত, ওষুধ সাধারণ ভোগ্যপণ্যের মতো নয়। ওষুধ দেয়া বা নেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা অত্যাবশ্যকীয় পূর্বশর্ত। উন্নত বিশ্বে ওষুধ ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। কেউ ওষুধের দোকান থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যে কোনো ওষুধ কিনতে পারে না।
আইন থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশে ওষুধ ক্রয়-বিক্রয়ে কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। এ কারণে মানুষ প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যে কোন পরিমাণে সব রকম ওষুধ কিনতে পারে।
সরকারি হাসপাতালে অনেক ফার্মাসিস্ট প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও সাস্থ্য মন্ত্রণালয় কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বছরের পর বছর নিয়োগ স্থগিত রয়েছে। যার কারণে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে ও অনেক প্রশ্ন রয়েছে।
সাস্থ্য সেবায় পরিপূর্ন সাফল্য তখনি আসবে যখন একজন ফার্মাসিস্ট ওষুধ প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও বিতরণ করতে পারবেন।
ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ সম্পর্কে কোনো ওষুধ প্রদান ও ব্যবহারে চিকিৎসক এবং ফার্মাসিস্টের সুস্পষ্ট পরামর্শ থাকা বাধ্যতামূলক। নয়তো ওষুধ গ্রহণ বিপজ্জনক হতে পারে। যেমন অ্যান্টিবায়োটিক, হৃদরোগ, রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের ওষুধ, ঘুমের ওষুধ, আসক্তি সৃষ্টিকারী ওষুধ, ট্রাংকুইলাইজার, মৃগী রোগের ওষুধসহ আরও অসংখ্য ওষুধ এ শ্রেণিভুক্ত।
দেশের একটি সাস্থ্য সংস্থার জরিপে দেখা গেছে মানবদেহের শরীরে ৬০ ভাগ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকার হয়ে পরেছে। এতো কিছুর পরেও ওষুধ প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮২ জারি করা হয় এবং এই অধ্যাদেশ এর ২৫ টি সেকশন রয়েছে, যার ১৩ নম্বার সেকশনে দেশে ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে ফার্মাসিস্টদের নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এমন কিছু ওষুধ আছে, দৈনন্দিন জীবনে যেগুলোর ব্যবহার ব্যাপক হলেও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। এসব ওষুধ কিনতে প্রেসক্রিপশনের দরকার হয় না। এসব ওষুধকে ওভার দি কাউন্টার (ওটিসি) ড্রাগ বলা হয়। প্যারাসিটামল, অ্যান্টাসিড, ভিটামিন, অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যাসপিরিন ধরনের ওষুধ এ শ্রেণিভুক্ত। রোগিকে ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্যই ওষুধের এ শ্রেণিবিভাগ এবং ক্রয়-বিক্রয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বা যথেচ্ছ ব্যবহার আমাদের প্রতিনিয়ত অন্য এক ধরনের ভয়ঙ্কর বিপদ ও ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গত ষাট দশক ধরে অ্যান্টিবায়োটিককে সংক্রামক রোগের প্রতিকারে ম্যাজিক বুলেট হিসেবে গণ্য করে আসা হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর থেকে একদিকে যেমন লাখো-কোটি লোকের জীবন রক্ষা করা গেছে, তেমনি এসব ওষুধের বিষক্রিয়া, বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও অপপ্রয়োগের ফলে ভোগান্তি ছাড়াও অনেক লোককে জীবন দিতে হয়েছে। সংক্রামক রোগের চিকিৎসা শুরুর আগে চিকিৎসককে জীবাণুতত্ত্বীয় পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করতে হয় রোগি কোনো জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত এবং সেই জীবাণু বা জীবাণুগুলো কোনো কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। এ ধরনের পরীক্ষা সম্পন্ন না করেই যখন-তখন বিভিন্ন মাত্রায় যুক্তিহীন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে অনেক জীবাণু এরই মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা রোধ করে বা ধ্বংস করে সফল চ্যালেঞ্জার হিসেবে টিকে থাকার দক্ষতা ও ক্ষমতা অর্জন করেছে। জীবাণুর এ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন এ শতাব্দীর চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য এক ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক নতুন নতুন কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কৃত না হলে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মানবসভ্যতাকে সমূহ বিপদের সম্মুখীন হতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক ওভার দি কাউন্টার ড্রাগ নয়, প্রেসক্রিপশন ড্রাগ। সুতরাং নিরাপদ ও সফল কার্যকারিতা লাভের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের আগে সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে ও সরকারকে এখনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
দেশের সব জায়গাতে শহরে, গ্রামে চা বিক্রেতা থেকে শুরু করে হকার ও সাধারন মানুষ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিতরণ করছে যা রোগির স্বাস্থ্য সেবা ঝুকির মধ্য পরছে। তারা লাভের আশায় ভেজাল ওষুধ রোগির হাতে তুলে দিচ্ছে। প্রায় সব সরকারি হাসপাতালে ফার্মাসিস্ট এর কাজ অন্য জনকে দিয়ে করিয়ে নেয়া হচ্ছে।
অ্যান্টিবায়োটিক অতিমাত্রায় ব্যবহার যেমন ক্ষতিকর, কম মাত্রায় গ্রহণ তেমনি বিপজ্জনক। একটি বা দুটি প্যারাসিটামল খেলে ব্যথা সারে বলে এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে, একটি বা দুটি অ্যান্টিবায়োটিক খেলে সংক্রামক রোগ সারবে। প্রত্যেক সংক্রামক ব্যাধির জন্যই চিকিৎসক প্রদত্ত নির্বাচিত ওষুধটি নির্ধারিত মাত্রায় নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে নির্দিষ্ট দিনের জন্য গ্রহণ করতে হবে। এর কমও নয়, বেশিও নয়। নির্ধারিত মাত্রার কম ওষুধ খেলে জীবাণু নির্মূল হবে না। ওষুধ সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম হলে রোগির ভোগান্তি ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফার্মেসি ব্যবস্থাপনা এখনি নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে তা মহামারি আকার ধারণ করবে।
শিশু ও মহিলাদের ওপর ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা বিবেচনা করে ওষুধ প্রদান বাঞ্ছনীয়। শিশু ও মহিলাদের ওষুধ প্রয়োগের সময় আমরা ভুলে যাই, শিশুর বাড়ন্ত শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং বিভিন্ন ডেলিকেট সিস্টেম আকার ও কর্মক্ষমতার দিক থেকে পরিপূর্ণতা লাভ করে না বলে ওষুধের বিপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে শিশুরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শিশুদের খুব বেশি অনুপযুক্ত ওষুধ প্রদান করা হয়ে থাকে এবং এর ফলে তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শিশুদের দেয়া দুই-তৃতীয়াংশ ওষুধই অপ্রয়োজনিয় বা সামান্য প্রয়োজনিয়। বিভিন্ন দেশে অধিকাংশ শিশুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণ হিসেবে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকে দায়ি করা হয়েছে। আমরা প্রায়ই শিশুদের প্রকৃত সমস্যা বুঝতে পারি না। শিশুরা অসুস্থ হলে আমরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ি এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হই। ওষুধ রোগ সারায়, কিন্তু ওষুধ যে রোগ সৃষ্টি করতে পারে তা আমরা খুব কমই উপলব্ধি করতে পারি। শিশুরা সাধারণত ডায়রিয়া, কফ, ঠাণ্ডা লাগার মতো কয়েকটি সাধারণ রোগে বেশি ভোগে। সনাতনী ধারণা থেকে শিশুদের এসব রোগে যেসব ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, তার অধিকাংশই অপ্রয়োজনিয় ও অকার্যকর। এসব রোগ সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের ফলে সৃষ্টি হয় এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ওষুধ নেই। সর্দি, কাশি বা ঠাণ্ডা লাগলেই শিশুদের নির্বিচারে অ্যান্টিহিস্টামিন প্রদান করা হয়। অ্যান্টিহিস্টামিন ধরনের ওষুধে ঘুমের প্রভাব থাকায় শিশুরা এ ধরনের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে এবং বাবা-মা নিশ্চিত হয় এই ভেবে যে, তাদের শিশু সুস্থ হয়ে উঠছে। এ ধারণা ঠিক নয়। শিশুদের ওপর অ্যান্টিহিস্টামিন বা সেডেটিভ ধরনের ওষুধের সুদূরপ্রসারী প্রতিক্রিয়া মোটেই কাঙ্ক্ষিত নয়। এসব ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কারণে শিশুদের পেশি নিয়ন্ত্রণ, সমন্বয় ও ভারসাম্যে মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। কাশি হলেই আজকাল কফ মিক্সচার প্রদান করা হয়। এসব কফ মিক্সচারে সিউডোএফিড্রিন থাকে। এ যৌগটি শিশুদের দুঃস্বপ্ন ছাড়াও ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।
শারীরিক গঠন, ওজন, অপুষ্টিজনিত নানা সমস্যা, হরমোনের ধরণ ও কর্মকাণ্ডের ভিন্নতার কারণে মহিলাদের শরীরে ওষুধের মেটাবলিজম ও প্রতিক্রিয়া পুরুষের চেয়ে ভিন্ন। ওষুধের প্রতি সহনশীলতা, কার্যকারিতাও স্বভাবতই আলাদা। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, বিষক্রিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী মায়েদের ওষুধ প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। শিশু, গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী মায়েদের ওপর পর্যাপ্ত গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পাদনে সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে বিশ্বজুড়ে এখনও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, অনুমান ও নিজস্ব চিন্তাভাবনার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনিয় তথ্য ছাড়াই চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের ওষুধের ছাড়পত্র দিতে হচ্ছে। ফলে শিশু ও মহিলাদের ওপর ওষুধের, বিশেষ করে নতুন আবিষ্কৃত ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে। গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী মহিলাদের ওষুধ প্রয়োগের কারণে বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে শুধু মা নয়, শিশুরাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কার্যকারিতা ও নিরাপত্তার দিক থেকে কোনো ওষুধ সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত শিশু ও মহিলাদের, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের ওসব ওষুধ প্রদান করা বাঞ্ছনীয় নয়।
স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে ওষুধের অযৌক্তিক ব্যবহার বন্ধ করার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের এগিয়ে আসা উচিত।
ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে খেয়ালখুশির বশবর্তী হয়ে যখন-তখন ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে ওষুধ খাওয়া শুরু করলে যখন-তখন ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না। চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট এর পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ সেবন করবেন। সময়মতো, পর্যাপ্ত পরিমাণে, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রায় ওষুধ সেবন করুন। প্রায়ই দেখা যায়, ড্রাগ স্টোর থেকে ভুল ডোজের ওষুধ সরবরাহ করা হয়। মাঝে মধ্যে রোগি বা রোগির অ্যাটেন্ডেন্ট ওষুধের ডোজে ভুল করেন। এটি রোগির জন্য ক্ষতিকর বা বিপজ্জনক হতে পারে। রোগ ও ওষুধের ব্যাপারে চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টরাই বিশেষজ্ঞ। রোগ ও ওষুধের ব্যাপারে নিজে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।
ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা দিতে ও সু-চিকিৎসা দিতে অতি শিগগিরই সরকারকে এখনি চিকিৎসা সেবায় ফার্মাসিস্ট এর উপস্থিতি সরকারি, বেসরকারিসহ সব জায়গাতে নিশ্চিত করতে হবে, তা না হলে চিকিৎসা সেবা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।
লেখক : মো. মোতালেব হোসেন টিটু, ডি. ফার্ম, ফার্মেসি কাউন্সিল, ঢাকা।