বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিপল মার্ডার: মানিকগঞ্জে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ৮ দীর্ঘ বিরতি শেষে ভৌতিক চলচ্চিত্রে ফিরছেন সিও ইয়ে-জি জুলাই হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলতে পারে ভালভার্দের দুর্দান্ত গোলে এথেন্সে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের জয় ৪ উইকেটে ১৮০ রান নিয়ে চা-বিরতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাইকগাছায় বিধি বহির্ভূতভাবে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র বাতিলের অভিযোগ বগুড়ার শেরপুরে বিআরডিবির নব নির্বাচিত সভাপতি হিরু কে সংবর্ধনা ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী

পাইকগাছায় বিধি বহির্ভূতভাবে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র বাতিলের অভিযোগ

মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, ​পাইকগাছা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : 4:19 pm, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র ২৩ নং পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হঠাৎ করে বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকারি পরিপত্র ও নীতিমালার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে এই কেন্দ্রটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৩ নং পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মেয়ে আসন্ন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থী। এই অজুহাত দেখিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আজহারুল ইসলাম ঐতিহ্যবাহী এই কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন। ​অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার পরিপত্রে (কেন্দ্র সচিব সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ) স্পষ্টভাবে বলা আছে যে প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার কেন্দ্র হবে সে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে এ পরীক্ষা কেন্দ্রে তাঁর সন্তান বা পোষ্য পরীক্ষার্থী থাকলে তাঁকে কেন্দ্র সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত অপর একজনকে নিয়োগ দিতে হবে। ​অর্থাৎ, প্রধান শিক্ষকের মেয়ে পরীক্ষার্থী থাকলে নিয়ম অনুযায়ী তাকে কেন্দ্র সচিব’ না বানিয়ে অন্য কোনো উপযুক্ত শিক্ষককে সচিবের দায়িত্ব দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু নীতিমালা পরিপন্থীভাবে কেন্দ্র সচিব পরিবর্তন না করে, কেন্দ্রটিকেই বাতিল করা হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা ধোঁয়াশা। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আজহারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, যেহেতু ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মেয়ে পরীক্ষার্থী, তাই নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্যই সেখান থেকে কেন্দ্রটি উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরিপত্রে কেন্দ্র বাতিলের কোনো নির্দেশনা না থাকার বিষয়ে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। সচেতন মহল ও অভিভাবকদের প্রশ্ন প্রধান শিক্ষককে সচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিলেই তো সমস্যার সমাধান হয়ে যেত! তাহলে কেন সুদীর্ঘকালের এই প্রধান কেন্দ্রটি উঠিয়ে নেওয়া হলো? এর পেছনে অন্য কোনো গোপন রহস্য বা অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা, তা নিয়ে এখন চলছে জোর আলোচনা। হঠকারী এই সিদ্ধান্তের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম মানসিক চাপ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় অভিভাবকরা অবিলম্বে এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বিধি মোতাবেক ২৩ নং পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রটি বহাল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com