শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলতি বছরে ৮০ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গু রোগী, মৃত্যু ২৫০ এর কাছে শ্রীলংকাকে উড়িয়ে ফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ভারত ফ্লাইদুবাই বিমানের ৪ যাত্রীকে ‘বীরত্ব’ পদক দেবেন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঘোড়াঘাটে ৩৬ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালিয়াকান্দিতে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু  অতীত রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুললে বিব্রত হন ফজলুর রহমান এমপি পদ থেকে মিষ্টির পদত্যাগ

একসঙ্গে ১১৬ ডুবো ড্রোন চালিয়ে চীনের বিশ্বরেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : 3:10 pm, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬টি স্বয়ংক্রিয় ড্রোন পরিচালনা করে নতুন বিশ্বরেকর্ড করেছে চীনের একটি গবেষক দল। মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ড্রোনগুলো নির্ধারিত পথে চলাচল করে।
গত ২৯ আগস্ট আয়োজিত প্রদর্শনীতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তারা পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে রেকর্ডটি স্বীকৃতি দেন।

উইয়ন নিউজ জানায়, ড্রোনগুলো তৈরি করেছে নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি ও জিয়ান তিয়ানহে মেরিটাইম টেকনোলজিসের গবেষকরা। প্রদর্শনীতে পানিতে নামানোর পর প্রতিটি ড্রোনের অনবোর্ড স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেভিগেশন ও সমন্বয়ের দায়িত্ব নেয়। এরপর ১১৬টি ড্রোন একসঙ্গে পানির নিচে প্রায় ১ হাজার ৬৪০ ফুট পথ পাড়ি দেয়।
ড্রোনগুলোর চলাচল সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে রিয়েল-টাইম তথ্য। কোনো ইউনিট নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হলে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা সেটিকে পুনরায় সঠিক রুটে ফিরিয়ে নেয়। ফলে পুরো দলটি একসঙ্গে ঝাঁকের মতো সমন্বিতভাবে চলাচল করতে সক্ষম হয়।

পানির নিচে যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালনা করা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল।
বিশেষ করে রেডিও সিগন্যাল সেখানে স্থলভাগের মতো নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে না। এমন পরিস্থিতিতেও মানবিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এতগুলো ড্রোনের সমন্বিত চলাচলকে গবেষকেরা স্বয়ংক্রিয় জলীয় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। এই প্রকল্পে ব্যবহৃত ড্রোনগুলোর মডেল টিএইচ-৬১৮। প্রতিটি ড্রোনের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৭ দশমিক ৮ ইঞ্চি। ওজন প্রায় ৫ কেজি।
একবার চার্জে ড্রোনগুলো ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে এবং টানা আট ঘণ্টার বেশি কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা রয়েছে।

পানির নিচে অবস্থান নির্ণয় ও আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ড্রোনগুলোতে ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। পানির স্রোতসহ বিভিন্ন কারণে চলার পথে বিচ্যুতি তৈরি হলেও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরিস্থিতি অনুযায়ী গতিপথ সংশোধন করতে পারে। গবেষকদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতে সমুদ্রতলের জরিপ, পানির নিচের অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ এবং তেল-গ্যাসের পাইপলাইন পরিদর্শনের মতো কাজে বাড়ানো সম্ভব। নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পানির নিচের সেন্সিং, অ্যাকোস্টিক যোগাযোগ ও ভিজ্যুয়াল পারসেপশন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com