এতে আরও বলা হয়, দেশের ৬৪ জেলার ৬১ জেলায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা, রংপুর ও কুষ্টিয়া জেলার বাইরে সংঘটিত বহু ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম এখনও শেষ হয়নি। হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগসহ সহযোগী বা অঙ্গসংগঠনের অনেক চিহ্নিত ব্যক্তিকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। ফলে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এছাড়া গুম-খুন, লাশ গোপন বা ধ্বংস করার অভিযোগে জড়িতদের সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তবে এ ধরনের তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে অস্বাভাবিক ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এজন্য বিচারপ্রার্থী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে ন্যায়বিচার নিয়ে উদ্বেগ ও শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।