ঢাকার আশুলিয়ায় ময়লার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে থানা শ্রমিক দলনেতা ও তার ভাইয়ের বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর সহ নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে বলে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল পশ্চিম পাড়া এলাকায় ঈসমাইল হোসেনের বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদের দায়িত্বে আছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ময়লার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে ইদ্রিস আলী ভূইয়াসহ তার ছেলে মেহেদী, সাগর, সবুজ, রনি, মুরাদ ও আরিফ সংঘবদ্ধভাবে এ হামলা চালায়। হামলার আগে মুরাদ ও আরিফ মোবাইল ফোনে আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। তারা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। চাপাতি ও রামদা দিয়ে রুমের দরজায় কোপায়। পরে রুমের মধ্যে ঢুকে আসবাবপত্র ভাংচুর সহ এলোমেলো করে ফেলে। এসময়ে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানায় অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও আরও জানান তিনি। এর সুষ্ঠু বিচারের দাবী ভুক্তভোগীর।
অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী ভূঁইয়ার মুঠোফোন একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে আরও এক অভিযুক্ত মুরাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাই আমি অফিসের সামনে থেকে আসছিলাম, এমন সময়ে ইদ্রিস ভূঁইয়া আমাকে ডাক দেয়। এবং আমি তার কাছে গেলে, সে বলে তোর মোবাইল ফোনটি দে, আমি ইসমাইলকে একটু ফোন করবো। এরপরে আমি তাকে ফোন দিয়ে দোতলায় চলে যাই। এসময়ে সে আমার ফোন দিয়ে কি বলেছে, তা আমি জানি না। আর হামলা ও যে ভাংচুরের কথা বললেন, আসলে ও বিষয়েও আমি কিছুই জানি না।
এবিষয়ে জানতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী এসআই ফাহিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে আশুলিয়া থানার ওসী তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এধরনের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল এবং অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।