শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের আগাম প্রস্তুতিঃ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা  কাজিপুরে বোরো ধানের নমুনা শস্য কর্তন রাজবাড়ী সদর থানায় অভিযানে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামী গ্রেফতার রাজবাড়ী সদর থানার অভিযানে ৮ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার রাজবাড়ীতে মাদক বিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযানে চারজন গ্রেফতার, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান রাজবাড়ীর পাংশায় ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সেলফিন অ্যাপে জাল ভাউচার ব্যবহারে যুবক আটক  ঘোড়াঘাটে ভুলে চিকিৎসা আঙ্গুল হারানো আবিদ ‎আশুলিয়ায় যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল ও শিক্ষক আটক জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান ৩৫ শতাংশে উন্নীত করা সরকারের লক্ষ্য

চাঁদপুরে একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার ‘
  • আপডেট সময় : 5:19 pm, বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

চাঁদপুরে মো. বশির (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত বশির শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার ২১ নম্বর বাসার মৃত তাজুল ইসলাম মেম্বারের ছেলে। হত্যার শিকার যুবক মোজাম্মেল একই এলাকার ৯৬ নম্বর বাসার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম পাটওয়ারীর ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, আসামি বশির একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এলাকায় মাদক বিক্রির সময় হত্যার শিকার যুবক মোজাম্মেল প্রায় সময় তাকে মাদক বিক্রেতে বাধা প্রদান করতো। এরপর মাদক মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করে। বশির সন্দেহ করে মোজাম্মেল পুলিশকে বলেছে। এরপর বশির জামিনে এসে ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তার বাড়ির সামনে মোজাম্মেলকে পরিবারের সদস্যরা মিলে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
 
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে ২১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় পরদিন ২২ ডিসেম্বর মোজাম্মেলের মা মরিয়ম বেগম (৫০) চাঁদপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বশিরকে। সহযোগী আসামি করা হয় বশিরের আপন ভাই মো. নাছির (৪৫), মো. মামুন (২৫), মো. মহিসন (২৭) ও তাদের মা মনি বেগমকে।

মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয় তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল হক কামালকে। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কুহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি দীর্ঘ বছর আদালতে চলমান অবস্থায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা এবং আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় তার উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় দেন। আর বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মজিবুর রহমান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com