,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | সারাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন | খেলাধুলা | ফিচার | অপরাধ | অর্থনীতি | ধর্ম | তথ্য প্রযুক্তি | লাইফ স্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | স্বাস্থ্য | নারী ও শিশু | সাক্ষাতকার

গত বছরের তুলনায় বাংলালিংকের আয় বেড়েছে ৭.২ শতাংশ

কভিড-১৯ মহামারি সংকটের মধ্যেও দেশের অন্যতম ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের রাজস্ব আয় বেড়েছে গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় এ বছরের একই সময়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। ডেটা থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৩২ শতাংশ। এই আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ডিজিটাল সেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। টফি’র মতো ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

আজ শনিবার প্রকাশিত চলতি বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

বাংলালিংকের প্রধান অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আর্থিক প্রতিবেন সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরকি অস। এ সময় বাংলালিংক-এর চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান এবং হেড অফ কর্পোরেট কমিউনিকেশনস অ্যান্ড সাস্টেইনেবিলিটি আংকিত সুরেকা উপস্থিত ছিলেন।

এরিক অস বলেন, ‘দেশের অন্যতম ডিজিটাল সেবাদাতা হিসেবে আমাদের ক্রমোন্নতি এই বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের ফলাফলেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ডেটা থেকে এই প্রান্তিকে আমাদের আয় আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় বেড়েছে ৩২ শতাংশ, যা প্রান্তিক অনুসারে আমাদের সর্বমোট আয় ৭ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। গ্রাহক চাহিদার প্রতি প্রাধান্য, নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ ও নতুন স্পেকট্রামের কারণে আমাদের ফোরজি গ্রাহকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ। এখন বাংলালিংক-এর ফোরজি গ্রাহকের সংখ্যা এক কোটি ১৪ লক্ষ, যা আমাদের মোট গ্রাহক সংখ্যার ৩৩ শতাংশ। ডিজিটাল সার্ভিসে আমাদের সাফল্যের ক্ষেত্রে বিনোদনভিত্তিক অ্যাপ টফি-ই প্রধান ভূমিকা রাখছে। এর সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬৩ লক্ষে পৌঁছেছে। সব ক্ষেত্রে ভালো ফলাফল নিয়ে বাংলালিংক যেভাবে এগিয়ে চলেছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। দেশ জুড়ে গ্রাহকদের উন্নত মানের সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে গ্রাহক প্রতি তরঙ্গের ক্ষেত্রে বাংলালিংক অন্য অপারেটরদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। প্রতি ১০ লাখ গ্রাহকের জন্য বাংলালিংকের তরঙ্গ ১ দশমিক ১২ মেগাহার্জ। এক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের শূন্য দশমিক ৫৯ এবং রবির শূন্য দশমিক ৮৬। গ্রাহক অনুপাতে তরঙ্গ বেশি থাকার কারণে বাংলালিংক ডাউনলোড স্পিডের ক্ষেত্রে সেরা অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন দেশের সেবার মান পরিমাপকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওপেনসিগনালের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ ছাড়া ওকলার ‘স্পিডটেস্ট অ্যাপ’ -এর প্রতিবেদনেও বাংলালিংক বাংলাদেশের সব চেয়ে দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্কের স্বীকৃতি পেয়েছে।

এ ছাড়া জানানো হয়, বাংলালিংক ২০২২ সালের মধ্যে আরো তিন হাজার বিটিএস স্থাপন করতে যাচ্ছে। এর ফলে এ অপারেটরের বিটিএসএর সংখ্যা দাঁড়াবে সাড়ে ১৩ হাজার। এতে সেবার মান বাড়বে এবং ফোরজি সেবা আরো বিস্তৃত হবে।

ফাইভজি সেবার বিষয়ে এক প্রশ্নে জবাবে এরকি অস বলেন, ফাইভজি প্রযুক্তিক নয়, ইকো সিস্টেম। এতে মোবাইল অপারেটরদের চাইতে গ্রাহক পর্যায়ে বেশি প্রস্তুতি দরকার।

Leave a Reply

প্রধান সম্পাদক : তোফায়েল হোসেন তোফাসানি
বার্তা সম্পাদক : রোমানা রুমি, সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: সি-৫/১, (৪র্থ তলা) ছায়াবীথি, সাভার, ঢাকা-১৩৪০
ফোন ও ফ্যাক্স : ০২-৭৭৪১৯৭১, মোবাইল ফোন : ০১৭১১০৭০৯৩১
ই-মেইল : cninewsdesk24@gmail.com, cninews10@gmail.com
ঢাকা অফিস : বিএনএস সেন্টার (৯তলা), প্লট-৮৭, সেক্টর-০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
Design & Developed BY PopularITLimited