সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্ত্রী-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমার শক্তি- সামিউল ইসলাম খান সজীব চেয়ারম্যান প্রার্থী, আমতা ইউপি ভারতের টানা ষষ্ঠ সিরিজ জয়ের মিশনে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ নিউজিল্যান্ডের কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে : রিজভী সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ভাগ্যে এবার কি আছে! সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি মিষ্টির শূন্য আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সাক্ষাৎ

এইডস এখনো আফ্রিকার কিশোর-কিশোরীদের শীর্ষ ঘাতক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : 3:28 pm, সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১৬
ফাইল ফটো : অনলাইন

ফাইল ফটো : অনলাইন

সিএনআই নিউজ : আফ্রিকার ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের এখনো মৃত্যুর প্রধান কারণ এইচআইভি/এইডস। এ ভাইরাস বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের শুরুতে ইউনিসেফ প্রধান অ্যান্থোনি লেক সোমবার একথা বলেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান নগরীতে অনুষ্ঠিত এইডস ২০১৬ সম্মেলনের প্রথম দিনে দেয়া এক বিবৃতিতে লেক বলেন, ‘এইচআইভি/এইডস মহামারী মোকাবেলায় বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও এ রোগে আক্রান্ত হওয়া, অসুস্থ হয়ে পড়া ও মৃত্যুর হাত থেকে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের রক্ষায় এখনো আরো অনেক কাজ করতে হবে।’
জাতিসংঘ শিশু সংস্থার প্রধান আরো বলেন, ‘এইডস বিশ্বব্যাপী ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হলেও আফ্রিকায় তাদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে এটি প্রধান কারণ।’
ইউনিসেফের মতে, ২০০০ সাল থেকে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সের কিশোর-কিশোরীর মধ্যে এইডস সংক্রান্ত মৃত্যুর হার দ্বিগুনেরও বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে। সারাবিশ্বে প্রতি ঘন্টায় নতুন করে এ বয়সের ২৯ কিশোর-কিশোরী আক্রান্ত হচ্ছে।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এক্ষেত্রে কিশোরীরা সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। কেননা, দেখা যাচ্ছে বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশ কিশোরী।’
২০১৫ সালে সাব-সাহারান আফ্রিকায় এইচআইভি ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত প্রতি চারজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে তিন জনই কিশোরী।
বিশ্বের ১৬ টি দেশে জরিপ চালানো ৫২ হাজার তরুণ-তরুণীর প্রায় ৬৮ শতাংশ জানায় তারা এ ভাইরাস শরীরে রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করতে চায় না কারণ তারা এইচআইভি পজিটিভ ফলাফলকে ভয় পায়। এক্ষেত্রে তারা সামজিক কলঙ্কের ব্যাপারে ভয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com