তবে পরদিন নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম। তিনি জানান, গত ১৭ জুন প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে পারিবারিকভাবে মরিয়মকে বিয়ে করেছেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ২২ জুলাই বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হয়।
৭৪ বছর বয়সী গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে এবার তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে ১৯৯১ সালে প্রথমবার একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমিরের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ছিলেন।