শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫ সারা দেশে ভারি বর্ষণের আভাস ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে সুপার-ডুপার এল নিনো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে: ইস্তাম্বুল সামিটে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অবশ্যই সম্ভব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি কাজীপুরে ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ করলেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করেছে বিএনপি সরকার: এলজিআরডিমন্ত্রী ‘বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ দাবি বাস্তবায়িত হতে পারে’

ইমামবাড়ায় বিষ্ময়কর প্রাচীন ঘড়ি

সিএনআই নিউজ
  • আপডেট সময় : 4:15 pm, শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩

কলকাতার হুগলি জেলায় ইমামবাড়াতে আছে এক বিষ্ময়কর ঘড়ি। ১৮৫২ সালে ১১ হাজার ৭২১ রূপিতে (বর্তমান মুদ্রায়) কেনা হয়েছিল সেই ঘড়ি। সেই ঘড়ি আজও চলছে সময় মেনেই। দীর্ঘ ২০ বছর (১৮৪১ থেকে ১৮৬১ সাল) ধরে তৈরি হয়েছিল হুগলির এই অপরূপ ইমামবাড়া। হাজী মোহাম্মদ মহসিনের রেখে যাওয়া ফান্ড থেকে তৈরি হয়েছিল এই ইমামবাড়া। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য খোলা ইমামবাড়ার দরজা। প্রাচীন এই স্থাপত্যেই লেখা আছে এই কথা। আসলে বাংলার সম্প্রীতির অন্যতম পীঠস্থান এই ইমামবাড়া। ইমামবাড়ার ১৫০ ফুট উঁচু চূড়াতে রয়েছে এই ঘড়ি। বলা হয় সম্ভবত ভারতে অন্য কোথাও এমন ঘড়ি নেই। ইমামবাড়াতেই লেখা রয়েছে এ কথা। মীর কেরামত আলী এই ঘড়ি কিনে এনেছিলেন বিদেশ থেকে। সপ্তাহে একদিন দম দিতে হয় এই ঘড়িতে। দম দেওয়ার চাবিটির ওজনই ২০ কেজি। সপ্তাহে একবার দম দিতে হয়। কমপক্ষে দু’জন লাগে এই ঘড়ি দম দিতে। ঘড়ির মেশিন ঘরের ঠিক ওপরের দিকে তিনটি ঘণ্টা পরপর রয়েছে। যার ওজন হল ৮০ মণ, ৪০ মণ ও ৩০ মণ। মাঝারি ও ছোট ঘণ্টা দু’টি ১৫ মিনিট অন্তর বাজে আর বড় ঘণ্টা বাজে প্রতি ঘণ্টায়। এখানে একটি সূর্য ঘড়িও আছে। ইমামবাড়ার কেয়ারটেকার তথা গাইড এমডি রেজওয়ান জানিয়েছেন, বহু বিখ্যাত মানুষ এই ইমামবাড়া ও ঘড়ি দেখতে আসেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই রকম আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2017 Cninews24.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com