মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার দুপুর ১২টার পর থেকে বিভিন্ন জায়গা থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ব্রডব্যান্ড সংযোগে স্বাভাবিকভাবে চলছে
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার জেরে বন্ধ করে দেওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ক্যাশ সার্ভার খুলে দেওয়া হয়েছে।কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে গত ১৭ জুলাই
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ব্যাপক সহিংসতার সময় দেশে বন্ধ থাকা ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো আজ বুধবার বিকেলের মধ্যে খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী
ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘বুধবার সকাল ১১টার পর ফেসবুক-টিকটক খুলে দেওয়ার বিষয়ে জানাতে পারব। টিকটক, ইউটিউব ও ফেসবুকের কাছে একটি ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। মৌখিক
দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে সমসাময়িক পরিস্থিতিতে সাইবার নিরাপত্তায় করণীয় সংক্রান্ত মতবিনিময়
দীর্ঘ ১০ দিন পর রবিবার মোবাইল ইন্টারনেট চালু হলেও শুরু থেকেই ধীরগতি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। এর আগে চালু হওয়া ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল। তবে গতকাল সোমবার
মোবাইল ইন্টারনেট ফিরলেও বন্ধ থাকছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম। রবিবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে চালু হয় মোবাইল ইন্টারনেট। তবে গ্রাহকরা বলছেন, শুরুতেই ধীরগতি পাচ্ছেন।মোবাইল অপারেটর ও বিটিআরসি সূত্রে
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ঢাকায় সহিংসতার আগে হঠাৎ ১ লাখ সিম ব্যবহারকারী নতুন করে রাজধানীতে প্রবেশ করেছিল বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘সেদিনই
দেশে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করার পর ১২ ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ সংযোগে ইন্টারনেট পরিষেবা সচল হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। ইন্টারনেট সেবাদাতা কোম্পানিগুলোর এ সংগঠনের
বর্তমান বিশ্ব প্রতিনিয়তই আধুনিক থেকে অতিআধুনিকতার দিকে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রযুক্তির উদ্ভাবন হচ্ছে এ যুগের বিস্ময়কর দিক। আমাদের জীবনকে সহজ থেকে সহজতর করতে এসব প্রযুক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের যেমন