
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আগামী জুন মাসে দেশের দারিদ্র্য হার ২৩ শতাংশে নেমে আসবে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ হিসাব করার পর এই দারিদ্র্য হার হবে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা হয়।
মুস্তফা কামাল বলেন, দেশে প্রতিবছর যে প্রবৃদ্ধি হয়, এর দুই-তৃতীয়াংশই দারিদ্র্য বিমোচনে কাজে লাগে। তবে প্রথম দিকে যে গতিতে দারিদ্র্য বিমোচন হয়, শেষের দিকে সেই গতিতে তা করা যায় না। সবশেষ হিসাবে দেশের দারিদ্র্য হার ছিল ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ।
একনেক সভায় ৫ হাজার ৭২৭ কোটি টাকার মোট সাতটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় জোগান দেওয়া হবে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা। আর প্রকল্প সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে ২ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো দেবে ১০ কোটি টাকা।
একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো ১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকার সিলেট বিভাগ পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বিআরইবির সদর দপ্তরের ভৌত সুবিধাদির উন্নয়ন। ৩০৪ কোটি টাকার প্রো-পুওর স্লাম ইন্টিগ্রেশন প্রজেক্ট। ১৬৬ কোটি টাকার মংলা বন্দর থেকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত পশুর চ্যানেল ক্যাপিটাল ড্রেজিং। ১০৮ কোটি টাকার ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ। ২০৯ কোটি টাকার মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌর শহর এলাকা সংরক্ষণ। ১২২ কোটি টাকার বাংলাদেশ স্কাউটিং সম্প্রসারণ ও স্কাউট শতাব্দী ভবন নির্মাণ। ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকার সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস অ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট।