তিনি বলেন, যখন কোনো নারী নিজের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যকে অস্বীকার করে ভাবতে শুরু করেন যে, কসমেটিক সার্জির মাধ্যমে তাকে আরও সুন্দর হতে হবে, তখন সেটাই একটি ফাঁদ। এতে তারা নিজেদের প্রকৃত সত্তাকে গ্রহণ করতে পারে না।
দিয়া মির্জা বলেন, একটা সময় তাকে বয়স ও চেহারা নিয়ে নানা মন্তব্য শুনতে হয়েছে। আমাকে বারবার বলা হয়েছে— আমার শরীরে কী পরিবর্তন করা উচিত, কী করলে আরও সুন্দর দেখাবে। কিন্তু এসব কথা কোনো নারী বলেনি।
তিনি বলেন, কোনো নারী কখনো এসে আমাকে বলেনি— তোমার ঠোঁট পাতলা, ফিলার করাও কিংবা তোমার স্তন ছোট, বড় করাও। এ ধরনের মন্তব্য সবসময় পুরুষের কাছ থেকেই এসেছে— এটাই সত্যি।
অভিনেত্রী বলেন, এসব মন্তব্য তাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছিল। শুনে অদ্ভুত লাগত। কারণ তখন তিনি দুটি বিউটি টাইটেল জিতে ফেলেছেন। খুবই তরুণী ছিলাম, তখনো আমার বয়স ২০ বছর হয়নি। তারপরও বারবার শুনতে হয়েছে— কখনো পরিচালক, কখনো প্রযোজক, আবার কেউ নিজেকে বিশেষজ্ঞ বলে এসব পরামর্শ দিতেন। কিন্তু কোনো নারীকে এমন কথা বলতে আমি কখনো শুনিনি বলে জানান দিয়া মির্জা।